চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মাহমুদউল্লাহ তিনে খেলুক, একাদশে ফিরুক মোসাদ্দেক

রানেই আছেন। ইনিংস গড়ে লম্বা সময় ব্যাটও করতে পারেন। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দুই ম্যাচে সেই মাহমুদউল্লাহ খেলেছেন সাতে। আর তিনে ইমরুল কায়েস দুই ম্যাচেই ব্যর্থ হয়েছেন। নিউজিল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্যাটিংঅর্ডার নিয়ে তাই নতুন করে ভাবতে বলছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। তিনে মাহমুদউল্লাহকেই সেরা পছন্দ মনে করছেন তিনি। সেইসঙ্গে মোসাদ্দেককেও একাদশে দেখতে চান।

বিজ্ঞাপন

ইনিংস মেরামতে খুব গুরুত্বপূর্ণ তিন নম্বর জায়গাটা। এই পজিশনে নামা ব্যাটসম্যানকে ঘিরেই ইনিংসের অনেকটা আবর্তিত হয়। ২০১৫ বিশ্বকাপে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ পর পর দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছিলেন চারে নেমে। সময় নিয়ে ব্যাট করতে পারার সুযোগ কাজে লাগিয়েছিলেন দারুণভাবে। পরে কিছুদিন তিন নম্বরেও ব্যাট করেছেন। মুশফিকুর রহিম চারে দারুণ ফর্মে থাকায় তার অর্ডার আগ-পিছ করার কারণ নেই। তিনে যখখন কেউ নিজেকে মেলে ধরতে পারছেন না, তাই মাহমুদউল্লাহকেই আবারো তিনে দেখতে চান আশরাফুল।

‘মাহমুদউল্লাহ কেন তিনে ব্যাট করছে না। টপঅর্ডারেই সে শক্তিশালী। বিশ্বকাপে আমরা তার ব্যাটে দুর্দান্ত দুটি সেঞ্চুরি দেখেছিলাম পজিশন এগিয়ে আনাতেই। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শুক্রবারের ম্যাচে তাকে তিনে নামানো উচিত।’

বিজ্ঞাপন

তিনে নেমে ধীরে শুরু করলেও পরে তা পুষিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে, সময় থাকে। দলীয় বিবেচনায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। কিন্তু এই জায়গাটা নিয়ে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েও যুতসই কাউকে খুঁজে পাচ্ছে না টাইগার ম্যানেজমেন্ট।

আশরাফুলের ভাবনায় আছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও। এই অলরাউন্ডারকে একাদশে চান তিনি, তবে মিরাজকে নিয়ে উল্টো চিন্তা, ‘মোসাদ্দেক খেললে অফস্পিন অপশনটা পেয়ে যাবো আমরা। আর তার ব্যাটিং তো আছেই। মিরাজকে বিশ্রাম দেয়া যেতে পারে। মাহমুদউল্লাহ তিনে চলে আসলে সহজ হয়ে যায়। নতুন করে একটু সাজালে বেস্ট টিম হবে। সাব্বির তখন ছয়ে আসবে।’

বিকেলে কার্ডিফে নামার আগে বোলিংয়ে গুরুত্ব বাড়ানোর কথাও বললেন আশরাফুল। মাশরাফিদের চার পেসার নিয়ে শেষ ম্যাচের লড়াইয়ে নামার তাগিদ দিলেন, ‘আমাদের একটা বাড়তি পেস বোলার খেলানো উচিত। ম্যাচ জেতাবে বোলাররা; মাশরাফির বোলিং অপশন লাগবে। ব্যাটসম্যানরা রান করবে। তারা যে রানই করুক তা ডিফেন্ড করতে হবে। কম রানে আটকাতে হবে। বোলিং অপশন বেশি রাখতে হবে। এই কারণে চার পেস বোলার নিয়ে নামা উচিত।’

মুখোমুখি দেখায় শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয় আছে বাংলাদেশের। সেটি ছিল আয়ারল্যান্ডের মাটিতে। ওই জয় মাশরাফিদের আত্মবিশ্বাস যোগাবে বলে মনে করছেন আশরাফুল, ‘শেষ ম্যাচটা আমরা নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছিলাম। সেটা আত্মবিশ্বাস দেবে বাংলাদেশ দলকে। খেলা কার্ডিফে, ওখানে ২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছি। সেই কথাও হয়তো মনে রাখবেন ক্রিকেটাররা। প্রেরণা পাবার অনেককিছুই আছে। সেরাটা খেলতে পারলে ওদের হারানো খুব কঠিন হবে না।’