চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘মাশরাফী থাকলেই চ্যাম্পিয়ন’

বিপিএল-৬

মাঠে গড়ানো আগের পাঁচ বিপিএল আসরে চারবার চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়কের নাম মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। যিনি সাফল্য ফেরি করে টুর্নামেন্টের পাঁচ আসরে তিনটি দলকে চারটি শিরোপা এনে দিয়েছেন। ষষ্ঠ আসরের প্লেয়ার্স ড্রাফটের আগে সে কথাই মনে করিয়ে দিলেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

বিপিএলের ষষ্ঠ আসরের প্লেয়ার্স ড্রাফটের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘আমাদের তামিম, সাকিবের মতো খেলোয়াড় আছে। একজনের কথা না বললেই নয়, সে হল মাশরাফী। কী করে যেন জিতে যায়। ও থাকলেই তারা চ্যাম্পিয়ন হয়।’

মাশরাফী গত আসরে রংপুর রাইডার্সে নাম লিখিয়েই দলটিকে প্রথম শিরোপার স্বাদ দেন। এবারও আইকন ক্যাটাগরি থেকে মাশরাফীকে ধরে রেখেছে রংপুরের ফ্র্যাঞ্চাইজি।

মাশরাফীর চ্যাম্পিয়ন নামা
বিপিএলের প্রথম আসর বসে ২০১২ সালে। বরিশাল বার্নার্সকে ফাইনালে হতাশ করে শিরোপা ঘরে তোলে মাশরাফীর ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স।

পরের আসরে ২০১৩ সালেও ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের দলনেতা ছিলেন মাশরাফী। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে প্রতিপক্ষ ছিল চিটাগং কিংস। মাশরাফীই উঁচিয়ে ধরেছিলেন চ্যাম্পিয়ন খেতাবের শিরোপাটি।

এক মৌসুম বিরতি দিয়ে ২০১৫ সালে তৃতীয় আসর মাঠে গড়ায় বিপিএলের তৃতীয় আসর। এবারও মাশরাফীর ফাইনাল প্রতিপক্ষ দলনেতা ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। তবে দুজনের দলেই এসেছিল পরিবর্তন। মাহমুদউল্লাহ নাম লিখিয়েছিলেন বরিশাল বুলসে আর মাশরাফীকে দলে ভিড়িয়েছিল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে শেষ হাসি সেই মাশরাফীর।

বিপিএল-২০১৭তে সুসংগঠিত ও শক্তিশালীই দল গড়েছিল রংপুর। গেইল, চার্লস, ম্যাককালাম, বোপারার মত বিদেশি, সোহাগ গাজী, রুবেল, জিয়াউর, অপুদের মত দেশিরা, সঙ্গে ছিলেন সেই ‘মাশরাফী’। যোগফলে পঞ্চম আসরের শিরোপাটাও টাইগারগারদের ওয়ানডে অধিনায়কের হাতে ওঠে।

ব্যতিক্রম ছিল শুধু চতুর্থ আসর। ওই আসরে শিরোপা ঘরে তোলে সাকিবের ঢাকা ডায়নামাইটস।