চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মালামাল সরাতে বিকেল পর্যন্ত সময় চায় বিজিএমইএ

রাজধানীর হাতিরঝিল লেকে অবৈধভাবে নির্মিত বিজিএমইএ ভবন থেকে মালামাল সরিয়ে নিতে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সময় চেয়েছে বিজিএমইএ এবং ভবনে থাকা বিভিন্ন অফিস কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞাপন

সকালে ভাঙার কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরুর আগে ভবন সংশ্লিষ্টরা রাজউকের কাছ থেকে ২ ঘণ্টা সময় চেয়ে নিয়েছিল, সুযোগ দেওয়ার পর ২ ঘণ্টা পার হয়ে যাওয়ার পর আরো কয়েক ঘণ্টা হিসেবে বিকলে ৫টা পর্যন্ত সময় চেয়ে নিয়েছে বিজিএমইএ।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার দুপুরে বিজিএমইএ ভবনের সামনে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান রাজউক পরিচালক (প্রশাসন) খন্দকার অলিউর রহমান।

খন্দকার অলিউর রহমান বলেন, এই ভবনে ব্যাংকসহ অন্যান্য অফিস আছে। ব্যাংকের ভল্টে টাকাসহ অফিসের অন্য মালামাল তারা (বিভিন্ন অফিস সংশ্লিষ্টরা) সরিয়ে নেয়ার কাজ করছে। তবে এরই মধ্যে ১২টা ৪০ দিকে কিছু মালামাল বের করে ট্রাকে নিয়ে যাওয়া শুরু হয়েছে।‘আমাদের কাছ থেকে তারা দুই ঘণ্টা সময় চেয়ে নিয়েছিল, সে সময় শেষ, কিন্তু সর্বশেষ এক্সিম ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আমাদের কাছে আরো ঘন্টা দুয়েক সময় চেয়েছে কারণ তারা এখনো ব্যাংকের ভল্ট সরিয়ে নিতে পারেন নি। তারা কাজ শুরু করেছে। আমরা তাদের ভল্ট ও মালামাল সরিয়ে নেয়ার জন্য সময় এবং সুযোগ দিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, বিজিএমইএ আমাদের কাছে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত সময় চেয়েছিল, আমরা সকালে প্রথমে তাদের মালামাল সরিয়ে নেওয়ার জন্য দুই ঘন্টা সময় দিয়েছিলাম। এটি ১৫ তলা বিল্ডিং, অনেক অফিস আছে এখানে। তারা তাদের মালামাল সরিয়ে নেবে এরপর আমরা ভাঙার কাজ শুরু করতে পারব।

এক জবাবে তিনি বলেন, মহামান্য হাইকোর্ট ১২ এপ্রিল পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন। মাঝখানে কয়েকদিন বন্ধ ছিল। এরপর কর্মদিবস শুরু হয়েছে, আমরাও আমাদের কাজ শুরু করেছি।বিজিএমইএ ভবন

এখন পর্যন্ত কোন কোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে জানতে চাইলে অলিউর রহমান বলেন: ভবনে কোন গ্যাসের লাইন ছিল না, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোন লাইনসহ সব ইউটিলিটি সার্ভিস সংযোগ বিচ্ছিন্নের কাজ চলছে।

কোন পদ্ধতিতে বিজিএমইএ ভবন ভাঙ্গা হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোন উত্তর দেন নি। বলেছেন ভবন সংশ্লিষ্টরা মালামাল সরিয়ে নেওয়ার পর আমরা ভাঙার কাজ শুরু করতে পারব।