চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা শহর ডেরিংকুয়ো

বিজ্ঞাপন

তুরস্কের আনাতোলিয়ার কাপাদোশিয়ায় অবস্থিত ভূগর্ভস্থ একটি শহর। ৩,৩০০ ফুট উঁচু মালভূমিতে অবস্থিত কাপাদোসিয়া বিখ্যাত ছিল অগ্নুৎপাতের জন্য। কয়েক মিলিয়ন বছর আগে অগ্নুৎপাত থেকে সৃষ্ট নরম শিলায় তৈরি করা হয়েছিল ঘরগুলো। প্রায় ২৮০ ফুট গভীর এই শহরটি ১৮টি স্তরবিশিষ্ট। স্তরগুলোতে রয়েছে স্কুল, গীর্জা, রান্নাঘর, গোয়ালঘর, কবরসহ একটি সম্পূর্ণ শহর। প্রায় ২০,০০০ মানুষের বাসযোগ্য করে তৈরি করা হয়েছিল। ১৯৬৩ সালে স্থানীয় বাসিন্দা তার বাড়ি মেরামতের সময় আবিষ্কার করেন মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা শহরটি। আর মানুষ খোঁজ পায় হাজার বছর লুকিয়ে থাকা রহস্যময় এক শহরের। কারা এই শহরটির নির্মান করেছিল তার সঠিক ইতিহাস জানা যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শহরটি খ্রিস্টপূর্ব ১২০০ থেকে ৮০০ অব্দের মধ্যে ফ্রিজিয়ানরাই তৈরি করেছিল। তারা আরো বলেন, কাপাদোসিয়াতে ভূগর্ভস্থ শহরের সংখ্যা প্রায় হাজারের কাছাকাছি এবং এদের মধ্যে সবচেয়ে গভীর ডেরিংকুয়ো। আঠারো স্তর বিশিষ্ট এই শহরের মাত্র আটটি স্তর ১৯৬৯ সাল থেকে দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।