চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করছে জাতীয় পার্টি

পার্টির সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য রওশন এরশাদ এবং তার অনুসারীদের অনুপস্থিতিতেই নতুন কো-চেয়ারম্যান এবং মহাসচিবকে অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্যরা।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

সভাশেষে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ১৬ এপ্রিল পার্টির জাতীয় কাউন্সিল হবে। এছাড়াও বর্তমান সরকার থেকে বেরিয়ে আসতে একমত হয়েছেন প্রেসিডিয়াম।

নতুন কো-চেয়ারম্যান আর মহাসচিবকে মনোনয়ন দেয়ার পর থেকে জল কম ঘোলা হয়নি জাতীয় পার্টিতে। সংসদীয় দলের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আবেদনের পরও অনড় থাকেন জাপা চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ।

বৃহস্পতিবার সংসদে রওশন এরশাদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকের দিন হঠাৎই চ্যানেল আইকে এরশাদ জানান, রোববার জরুরি প্রেসিডিয়াম সভার কথা।

বর্ধিত সভার পরিবর্তে বনানী কার্যালয়ে এই প্রেসিডিয়াম সভায় ৩৭ জন সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ২৪জন। তবে রওশন এরশাদসহ তার অনুসারি হিসেবে পরিচিত কেউই আসেননি সভায়।

এতে নতুন কো-চেয়ারম্যান এবং মহাসচিবকে অনুমোদনের পর জাতীয় কাউন্সিলের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। 

জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, জাতীয় কাউন্সিল এপ্রিল মাসের ১৬ তারিখে বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমরা ঢাকায় একটি কেন্দ্রিয় মনিটরিং সেল গঠন করবো। এবং জেলা পর্যায়ে মনিটরিং সেল হবে এবং তার সমন্বয় হবে। এবং উপজেলা পর্যােয়ে তারা নেতৃত্ব দেবে।

অনেকদিন ধরেই চেয়ারম্যানসহ জাতীয় পার্টির অনেকেই মন্ত্রিসভা থেকে সরে আসার কথা বলছেন। এ প্রশ্নের জবাবে আবারও নিজেদের দোদুল্যমান অবস্থার কথা বলেলেন নতুন কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি বলেন, সবারই মন্তব্য হচ্ছে বেরিয়ে আসাটাই ভালো। তবে এটা সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে যে চেয়্যারম্যান সাহেব যেভাবে সুবিধা মনে করবেন সেভাবেই বাস্তবায়িত করবেন। তবে সবাই একমত হয়েছেন যে আমাদের দলীয় স্বার্থে, রাজনৈতিক প্রয়োজনের স্বার্থে এটি খুবই জরুরি। 

সম্প্রতি সরকারের কাছে জাতীয় পার্টির আরো ৩ জনের মন্ত্রিত্ব চেয়েছেন চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ, এমন খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেও দাবি করেছে জাতীয় পার্টি।