চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভোটের লড়াইয়ে নায়িকা নুসরাতের বাজিমাৎ

রাজনীতিতে নেমেই টলিউড অভিনেত্রী নুসরাত জাহানের জয়জয়কার। লোকসভা নির্বাচনে বসিরহাট থেকে তিনি প্রায় তিন লাখ ভোট বেশি পেয়ে বিজয় অর্জন করেছেন।

বিজ্ঞাপন

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ঘাঁটি হিসেবে মনে করা হতো পশ্চিমবঙ্গকে। অথচ এই ঘাঁটিতে এবার হানা দিলো নরেন্দ্র মোদির বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সব আসনেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে বিজেপি ও তৃণমূলের। এমনকি তৃণমূলের বাঘা বাঘা নেতারাও হারতে বসেছেন। তৃণমূলের এমন ক্রান্তিলগ্নে ৩ লাখ ১১ হাজার ৮৩৫ ভোট বেশি পেয়ে বিজয় অর্জন করেছেন নুসরাত। এমন খবর জানিয়েছে আনন্দ বাজার।

অভিনয় থেকে রাজনীতি, কার অনুপ্রেরণায় রাজনীতিতে পদচারণা করেছেন এমন প্রশ্নের উত্তরে সম্প্রতি এই অভিনেত্রী পশ্চিম বঙ্গের একটি গণমাধ্যমকে জানান, পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এবং সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা-সভানেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণাতেই রাজনীতিতে এসেছেন তিনি।

সাথে এও বলেন যে, অভিনয় থেকে রাজনীতি কথাটা মোটেই সত্যি নয়। অভিনয়ে ছিলাম, আছি এবং থাকব। অভিনয় জগতে থাকা অবস্থাতেই আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ফ্যান’ ছিলাম। এরপর প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব আসার পরে, দ্বিতীয় বার আর কিছু ভাবিনি। মানুষকে আমি বরাবরই ভালবাসি। তাই মানুষের জন্য কাজ করার এই সুযোগ হারাতে চাই না।

কলকাতার এই অভিনেত্রী জয়ের ব্যাপারে আগে থেকেই পুরোপুরি আশাবাদী ছিলেন। ফলাফল ঘোষণার আগে তিনি জানিয়েছিলেন, ভোটের লড়াইয়ে তিনি বিজয় অর্জন করে সংসদে যাবেন।

তবে সংসদে গেলে কী করবেন সেটা আগে থেকেই মানুষকে প্রতিশ্রুতি দিতে চান না। তিনি বলেন, আমি আগে থেকে কোনও প্রতিশ্রুতি বা কথা দিতে চাই না। আমার কাজই কথা বলবে। ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ।

এদিকে শুধু নুসরাত জাহান নয়, লোকসভা নির্বাচনে প্রথমবার অংশ নিয়ে তৃণমূলের পক্ষে বিজয় এনে দিয়েছেন তার সময়ের আরেক দাপুটে অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। যাদবপুর থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রায় সোয়া দুই লাখ ভোট বেশি পেয়ে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন। তারকাদের মধ্যে তৃণমূলের পক্ষে বিজয়ী হয়েছেন টলিউডের শীর্ষ তারকা অভিনেতা দীপন অধিকারী দেব।