চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

পলাশের বুকে ছিল তার-সার্কিট দিয়ে তৈরি ভুয়া বোমা: র‍্যাব

উড়োজাহাজ ছিনতাই চেষ্টাকারী পলাশ আহমেদের শরীরে বাঁধা বোমা সদৃশ বস্তুটি ভুয়া ছিল জানিয়েছে র‍্যাব। এরআগেও পলাশ এক নারীকে অপহরণের ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছিল।

র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান বলেন, ভুয়া তার-সার্কিট দিয়ে ভেস্টের মতো তৈরি করেছিল পলাশ।

সোমবার র‍্যাব সদরদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জনান তিনি।

মুফতি মাহমুদ বলেন, উড়োজাহাজ ছিনতাইয়ের ঘটনা জানার পরই র‍্যাব-৭ ঘটনাস্থলে যায়। র‍্যাবের বোম ডিস্পোজাল ইউনিট কাজ করেছে। তার শরীরে বিস্ফোরক সদৃশ যা পাওয়া গেছে সেটাতে কোন বিস্ফোরক ছিল না। এটা ভুয়া একটা জিনিস ছিল, যেখানে ভুয়া তার-সার্কিড দিয়ে ভেস্টের মতো তৈরি করেছিল।

র‍্যাব জানায়, বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি ছিনতাইয়ের চেষ্টাকারী পলাশ আহমেদকে ২০১২ সালে এক নারীকে অপহরণের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেসময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর।

এ বিষয়ে মুফতি মাহমুদ বলেন, ২০১২ সালের মার্চ মাসে পলাশ আহমেদ ও তার একজন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তার অপরাধ ছিল সে একজন নারীকে অপহরণ করে ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছিল। র‍্যাবের ক্রিমিনাল ডাটাবেজ অনুযায়ী তার জন্মসাল ১৯৯৪। অর্থাৎ ২০১২ সালে গ্রেপ্তারের সময় তার বয়স ছিল ১৮ বছর। সেসময় গ্রেপ্তারের পর সে নিজেকে বিবাহিত দাবি করেছিল। শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি সমমানের। সে মাদ্রাসা বোর্ডের শিক্ষার্থী ছিল।

এরআগে সোমবার সকালে এক মুঠোফোন বার্তায় র‌্যাব জানায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্লেন ‘ময়ূরপঙ্খী’ ছিনতাই চেষ্টাকারী আগে থেকে র‌্যাবের ‘তালিকাভুক্ত অপরাধী’। সেই তালিকা অনুযায়ী তার নাম মো. পলাশ আহমেদ।

র‌্যাবের বার্তায় বলা হয়, উড়োজাহাজ ছিনতাই চেষ্টায় কমান্ডো অভিযানে নিহত সন্ত্রাসী র‍্যাবের অপরাধী ডাটাবেজের অন্তর্ভুক্ত। সে নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার পিরিজপুরের দুধঘাটা ইউনিয়নের বাসিন্দা। তার বাবার নাম পিয়ার জাহান সরদার।

র‍্যাব আরও জানায়, প্লেনটি ঢাকা থেকে দুবাইগামী হলেও পলাশ ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রী ছিল। টিকেট অনুযায়ী তার নাম ‘আহমেদ/মো. পলাশ’। ফ্লাইটের ‘১৭এ’ আসনের যাত্রী ছিল সে।