চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বড় বড় অপরাধী চক্রের বিনাশ হলেও সক্রিয় গডফাদাররা

এক দশকে অপরাধ প্রবণতায় পরিবর্তন-১

বর্তমান শতকের প্রথম দশকে বড় বড় অপরাধী চক্রের বিনাশ ঘটলেও গডফাদাররা সক্রিয় আছে। সক্রিয় আছে ভাড়াটে খুনি, চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজরা। বিদেশে অবস্থান করে চালিয়ে যাচ্ছে অপরাধকর্ম।

এই গ্রুপগুলো কারা পরিচালনা করছে? কারাই বা এদের গডফাদার?

চার বছর আগে রাজধানীর একটি অভিজাত বিপণী কেন্দ্রের সামনে এক চিহ্নিত কিলারের হাতে নিজ দলের আরেক সন্ত্রাসীকে হত্যার দৃশ্য ধরা পড়ে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায়। দেশে গড়ে প্রতিদিন ৯টি খুনের ঘটনা ঘটে, এর কিছু এরকম যেখানে সন্ত্রাসী গ্রুপ ভাড়াটে হিসেবে হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়, কখনো অন্তর্দ্বন্দ্বে জড়িয়ে নিজেরাই হয়ে যায় খুনের শিকার বা হত্যাকারী।

বিশ্লেষকরা বলছেন, অপরাধচিত্রে খুনোখুনির ঘটনায় খুব বড় কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। অপরাধচক্র নিয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় পুরস্কারজয়ী জায়েদুল আহসানও এমনটাই মনে করেন।

অতীতে জনজীবনে নাভিশ্বাস তোলা সংগঠিত অপরাধী চক্রগুলোকে পুরোপুরি বিনাশ করা না গেলেও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ করা গেছে বলে মনে করছেন সাবেক পুলিশ প্রধান নূর মোহাম্মদ।এক দশকে অপরাধ

তবে রাজধানীতে গড়ে উঠছে কিশোর গ্যাংস্টার গ্রুপ, যারা বড় ধরনের অপরাধকর্মে জড়াচ্ছে। ডিএমপি উত্তরা অপরাধ বিভাগের ডিসি নাভিদ কামাল শৈবাল জানান, এদের এখনই নিয়ন্ত্রণ করা বড় চ্যালেঞ্জ মনে করছে পুলিশ।

অপরাধ বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, আইন-শৃংখলা বাহিনীকে বিভ্রান্ত করতে অপরাধের কৌশল বদলে ফেলে অপরাধীরা। তারা এ কথাও বলছেন, সন্ত্রাস ও অপরাধকর্মের কৌশল ও পদ্ধতির পরিবর্তন ঘটলেও আড়ালে থাকা গডফাদারদের পৃষ্ঠপোষকতা থেকে গেছে আগের মতোই।

বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে: