চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বিয়ের রাজকীয় রীতিকে চ্যালেঞ্জ করছেন মার্কেল

ব্রিটিশ রাজপুত্র হ্যারি আর মার্কিন অভিনেত্রী মেগান মার্কেলের রাজকীয় বিয়ে অনুষ্ঠিত হবে শনিবার (১৯ মে)।  এরই মধ্যে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতায় মেগানের এক সিদ্ধান্তে জোরালো নারীবাদী অবস্থান প্রকাশ পেয়েছে।

সেন্ট্রাল লন্ডন থেকে ২০ মাইল দূরে সবচেয়ে পুরোনো ও বড় দুর্গ উইন্ডসর ক্যাসেলের সেন্ট জর্জেস চ্যাপেলে হবে এই রাজকীয় বিয়ে। যা স্বভাবতই এখন বিশ্বের মনোযোগের কেন্দ্র।

বিজ্ঞাপন

মার্কেলের পরিকল্পনা বিয়ের যাত্রায় খুব বেশি সঙ্গী রাখবেন না। আর এমনটি হবে যুক্তরাজ্যের কোন রাজকীয় বিয়ের ক্ষেত্রে প্রথম কোন ঘটনা। অভিনব ও বিরল এই পরিকল্পনায় চার্লস ও প্রিন্স হ্যারিও সন্তুষ্ট বলেই জানিয়েছে সিএনএন।

মার্কেলের পরিকল্পনা অনুযায়ী গীর্জা থেকে বিয়ের মূল মঞ্চে তিনি একাই হেঁটে যাবেন। মঞ্চে আসার পথের প্রথম অংশে অবশ্য তাকে সঙ্গ দিবেন কয়েকজন সহকারী। মূল মঞ্চের দিকে হেঁটে যাওয়ার কিছু সময় হ্যারির বাবা চার্লস কিছু সময় মার্কেলকে সঙ্গ দিবেন। তবে প্রথা অনুযায়ী তিনি তাকে হ্যারির হাতে তুলে দিবেন না। মার্কেল নিজেই হ্যারির কাছে যাবেন। এসময় চার্লস পেছনে দাড়িয়ে থাকবেন।

প্রথমে নির্ধারিত ছিলো মার্কেলের বাবা হলিউড চলচ্চিত্র নির্মাতা থমাস মার্কেল বিয়ের আসর পর্যন্ত হেঁটে আসবেন কনের সাথে। সবকিছু ঠিক থাকলেও অসুস্থতার কারণে মেয়ের বিয়েতে অংশ না নেয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। আর তাই সেই ভূমিকাটি এখন পালন করবেন প্রিন্স চার্লস।

বিজ্ঞাপন

মার্কেলের এমন পরিকল্পনার  পেছনে নিজেকে শক্তিশালী, স্বাধীনচেতা নারী হিসেবে দেখানোর একটি প্রবণতা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মার্কেল দেখাতে চান, তিনি রাজকীয় রীতিকে চ্যালেঞ্জ করতে পারেন।

শনিবার উইন্ডসরের সেইন্ট জর্জ চ্যাপেলের এই বিয়ের অনুষ্ঠানে রাজপরিবারের সদস্যরাসহ সকাল থেকেই উপস্থিত থাকবেন সাধারণ মানুষরা।

লন্ডন সময় শনিবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটে রাজপরিবারের সবাই চ্যাপেলে আসবেন। বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর বর-কনে সেইন্ট জর্জ চ্যাপেল থেকে রওয়ানা করে ২৫ মিনিট খোলা গাড়িতে ঘুরবেন।

বিকেলে সেন্ট জর্জ হলে বিয়ে পরবর্তী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রিন্স চার্লস ও প্রিন্সেস ডায়নাপুত্র প্রিন্স হ্যারি এবং মেগান মার্কেল। এরপর সন্ধ্যায় কাছের মানুষদের নিয়ে আরেকটি অভ্যর্থনার আয়োজন থাকবে তাদের জন্য।

হ্যারি-মেগানের বিয়ে উপলক্ষে লন্ডনজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। টেলিভিশনের পর্দায় আরেকটি রাজকীয় বিয়ের সাক্ষী হতে অধীর আগ্রহে রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের থেকে কয়েকশ’ কোটি মানুষ।