চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বাঙালির জাতিসত্তা নির্মাণে ছায়ানট এবং রমনা বটমূলে নববর্ষ উদযাপনের ৫০ বছর

সংস্কৃতি হলো সত্যের সুন্দরতম প্রকাশ। পরিচ্ছন্ন জীবন চলা। জীবনেরই প্রতিচ্ছবি। নদীর স্রোতের  মতো চির ধাবমান। জীবনের এই সচলতা, গতিময়তাই হচ্ছে বিকাশ। ক্রম পরিবর্তনশীল জীবনবোধ বা জীবনধারার প্রতিফলন সংস্কৃতিতে পড়বেই। আজ রমনা বটমূলে বাঙালির নববর্ষ আয়োজনের পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। নিশ্চয় আজ আমাদের জন্যে আরও সুন্দরতম দিন। পঞ্চাশ বছর আগে এই সুন্দরতম দিনের সূচনা করেছিল ‘ছায়ানট’।

বিজ্ঞাপন

অস্বীকার করার উপায় নেই স্বরূপ চেতনার যে সংকট চলছিল, মুসলমান না বাঙালি এই দ্বিধা ঘুচাবার ব্রত নিয়ে বাঙালি সংস্কৃতির মূল ধারার সন্ধান দিয়েছে ছায়ানট। একই সঙ্গে প্রবাহমান বাঙালি ঐতিহ্যের চর্চা করে চলেছে ছায়ানট। সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে জাগ্রত করে যাচ্ছে বাঙালির হৃদয়। আজো পুরোপুরি সক্রিয় ছায়ানট। ছায়ানটের সাংস্কৃতিক স্বাধীকারের মৌল নীতি তথা বাঙালি সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার প্রয়াস ক্রমেই মানুষকে টানছে এবং রাজনীতিতে ফেলছে বড় মপের প্রভাব।

সারা বিশ্বজুড়েই এখন বাঙালি তাদের নববর্ষ পালন করে থাকেন। যেখানে বাঙালি আছে তারা আজও মিলিত হবে, নিজের সংস্কৃতিকে তুলে ধরবে। কখনো কখনো মনে হয় সারা বিশ্বেই রয়েছে আমাদের খ- খ- বাংলাদেশ। আজকে রমনা বটমুলে নববর্ষ উদযাপনেরযে পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হচ্ছে সেখানেও ইতিহাস আছে। সেই ইতিহাস সবার জানা প্রয়োজন। বাঙালির জাতিসত্তার আত্মপ্রকাশ এবং এগিয়ে যাওয়া বিনা চ্যালেঞ্জে ঘটেনি। পাকিস্তানী ভাবধারায় পেছনমুখো শক্তিগুলোকে পায়ে দলেই বাঙালিকে এগুতে হয়েছে। এমনি এক পরিপ্রেক্ষিতে আজ আমরা রমনা বটমূলে বাংলা নববর্ষের সুবর্ণজয়ন্তী পালন করছি। সামাজিক-সাংস্কৃতিক এই অভিযাত্রার পেছনের সংগ্রাম ও সহমর্মিতার কথা আজকের প্রজন্ম খুব সামান্যই জানে।

সাম্প্রদায়িকতার আবরণে পূর্ব-বাঙলার বঞ্চিত অবহেলিত কৃষক, শ্রমিক, নিম্ন ও মধ্যবিত্তের বিপুল সংখ্যক মানুষকে মূলত: অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অধিকার প্রদানের মিথ্যে আশ্বাস দিয়ে পাকিস্তান নামের নষ্ট ভ্রষ্ট রাষ্ট্রের পক্ষে গণভোট দিতে উৎসাহিত করা হয়। উপমহাদেশ বিভক্তির ফসল পাকিস্তান রাষ্ট্রটির জন্মের পরপরই পূর্ব-বাংলার ছাত্র নেতৃবৃন্দ এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের বড়ো অংশ পাকিস্তানী এলিটদের এই ষড়যন্ত্র ধরে ফেলেন। বিশেষ করে, বাংলা ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতির ওপর আক্রমণ শুরু হয় একেবারে দেশ-বিভাগের পরপরই। এই আক্রমণ, অবশ্যি, বিনা চ্যালেঞ্জে যেতে দেননি সেদিনের ছাত্র ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেবার অজুহাতে সেদিনের সক্রিয় ছাত্রনেতা শেখ মুজিবসহ অনেকেই গ্রেফতার হন। এই আন্দোলনের চূড়ান্ত বিস্ফোরণ ঘটে ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে।

বাংলা ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতির মান-মর্যাদা বজায় রাখতে মৃত্যুকে বরণ করে নেয় একদল তরুণ। আর এভাবেই বাঙালি জাতিসত্তার বীজ বপন করেন এদেশের তরুণ সম্প্রদায়। এরপর বাঙালির প্রাণের দাবি বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রীয় ভাষায় মর্যদা দিতে বাধ্য হয় পাকিস্তান রাষ্ট্র। কিন্তু গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা দখল এবং মিলিটারি-সিভিল আমলাদের সাথে নিয়ে পূর্ব-বাংলাকে তার ন্যায্য রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্র্থনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখার ষড়যন্ত্র চলতেই থাকে। এর বিপরীতে বাঙালির প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক প্রধান নেতা হিসেবে জেল জুলুম সহ্য করে আবির্ভূত হতে থাকেন শেখ মুজিবুর রহমান। ছ-দফা পেশ করার আগে ব্যাপকভাবে বাঙালির দুঃখের কথা বলতে গিয়ে জেল জুলুম সহ্য করেন। বাঙালি সংস্কৃতির মূল পাটাতন তৈরি করেছেন যেসব কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী তিনি তাঁদের গভীরভাবে শ্রদ্ধা করতেন এবং তাঁদের ভাবাদর্শ ধারণ করতেন। এভাবেই বাঙালির জাতি হিসেবে গড়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় রাজনীতি ও সংস্কৃতি হাতে হাত ধরে বিকশিত হতে থাকে।

এমনি এক পর্যায়ে এলো কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম শতবার্ষিকী পালনের বছর ১৯৬১ সাল। যথারীতি রবীন্দ্র জন্ম শতবার্ষিকী পালনে পাকিস্তান সরকার অলিখিত নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর প্রতিবাদে গণমুখী আঙ্গিকে সুর ও সংগীতকে উপস্থাপন করার লক্ষ্যে সন্জীদা খাতুন, ওয়াহিদুল হক, মোখলেসুর রহমান (সিধু ভাই), আহমেদুর রহমান (‘ভিমরুল’) সহ আরো অনেকেই সাম্মিলিত উদ্যোগ নেন এবং বাঙালির ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান ছায়ানট প্রতিষ্ঠা করণে। মূলত: ছায়ানট সংগঠকদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এবং ঢাকা-বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষক, হাইকোর্টের বিচারপতি ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক গুণীজনেরা ঐক্যবদ্ধভাবে রবীন্দ্র জন্ম শতবার্ষিকী পালন করতে এগিয়ে আসেন। এভাবেই বাঙালি জাতিসত্তা বিকাশে সাংস্কৃতিক আন্দোলন নির্মাণের রাজনৈতিক যুদ্ধের ভিত গড়তে, সংস্কৃতি কর্মীরা, বিশেষ করে ‘ছায়ানট’ সংগঠক ও কর্মীদের অবিস্মরণীয় ভূমিকা আজকের তরুণ প্রজন্মকে জানানোর প্রয়োজন রয়েছে। সুর দিয়ে মানুষের মনের গভীরতর স্বপ্নকে প্রভাবিত করার এই প্রচেষ্টাকে আরো সক্রিয় করার অভিপ্রায়েই ১৯৬৭ সালে রমনা বটমূলে পয়লা বৈশাখ উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেন ছায়ানট সংগঠকগণ।

প্রয়াত ড. নওয়াজেশ আহমদ ছিলেন প্রকৃতি প্রেমিক একজন বিজ্ঞানী। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এক স্মারক বক্তৃতায় (২০০৭) তিনি বলেছিলেন কিভাবে রমনা বটমূলের পয়লা বৈশাখের সূত্রপাত হয়। তিনি বলেছেন, “১৯৬৭ সনে ওয়াহিদুল এবং সন্জীদা আমাকে বলল, “এবার আমরা বাংলা নববর্ষ বাইরে করব। তুমি একটা গাছ দ্যাখো”। আমার উপর ভার দিল ওয়াহিদুল। আমি ওয়াহিদুলকে রমনা বটমূলের কথা বললাম।

বিজ্ঞাপন

রমনা বটমূলে আজ যেখানে অনুষ্ঠান হয় সেটা আসলে বট নয়। অশ্বত্থ। আমরা বট বলেই চালিযে দিয়েছিলাম। জায়গাটা এখন যেমন তখন তেমনটা ছিলনা। চারদিকে শুধু জঙ্গল আর ঘাসে ভর্তি। তবু আমি ওয়াহিদুলকে বললাম জায়গটা কিন্তু খুব শান্ত। কোলাহল মুক্ত। ছায়ানটের ছেলে-মেয়েদের ভালোই লাগবে। ও রাজি হয়ে গেল। সারারাত আলো জ্বেলে ছায়ানটের কর্মীরা সেই ঘাস কাটল, জঙ্গল পরিস্কার করল। এভাবেই ছায়ানটের বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন শুরু হল। আজ এই অনুষ্ঠান যে জাতীয় পর্যায়ে চলে গেছে তাতে আমার খুব ভালো লাগে।” (দেখুন, আতিউর রহমান, রবীন্দ্রসাধক ওয়াহিদুল হক, দিপ্তী প্রকাশনী ২০১১, পৃ. ৩১১)।

১৯৬৭ সনে রমনার বটমূলে এই অনুষ্ঠানের সূচনা ছায়ানটকে বৃহত্তর জনসম্মূখে আনতে সাহায্য করেছে। এ কথা তো সত্যি রবীন্দ্রনাথ বাঙালি সংস্কৃতিকে হিমালয়ের মতো রক্ষা করে চলেছে। রবীন্দ্রনাথ বরাবরই বলে এসেছেন যে রাষ্ট্রকে শক্তিশালী করতে হলে এর ভেতরের শক্তিকে জাগ্রত করতে হবে সমাজে, সংস্কৃতিতে। তাই বাঙালির উৎসবগুলোর পুনরুজ্জীবনের পক্ষে ছিলেন তিনি। গ্রামীণ মেলাগুলো পরিচালনা করতে তিনিই বলেছেন। এরফলে বাঙালির সামাজিক বন্ধন পোক্ত হবে বলে তিনি মনে করতেন। সেই অভিপ্রায়েই ছায়ানট বাঙালির নিজস্ব ‘শুভ নববর্ষ’ উদ্যাপনের এই আয়োজনের সূত্রপাত করে। বলা যায় ছায়ানট রবীন্দ্রনাথের সেই জাগরণের অগ্রগামী এক প্রতিষ্ঠানের নাম। এই প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পেছনের ভাবনটির কথা সন্জীদা খাতুন এভাবে জানিয়েছেন, “আমরা এক সময় ‘শ্রোতার আসর’ নামে একটা অনুষ্ঠান করতাম। গান শুনিয়ে আমরা ‘অতীতচারী’ করতে চাইতাম। সেইসব গান বাঙালির বলে মনে করিয়ে দেবার চেষ্টা করতাম। কিন্তু সেটা করতে গিয়ে দেখা গেল, আমাদের দেশে শিক্ষার সংখ্যা খুবই কম। কারণ শিক্ষার ব্যবস্থা নেই। তখন শুধুমাত্র ঐ বুলবুল একাডেমী ছিল। সেইজন্য আমরা একটা স্কুল করা দরকার বলে মনে করতাম।… গান মানুষের জীবনে সংস্কৃতির বড় একটা ছাপ ফেলে।” ( দেখুন, আতিউর রহমান, ঐ, পৃ. ৫৪)।

সেই ছায়ানট এখন এক মহিরূহে পরিণত হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া জমিতে সকলের প্রচেষ্টায় এক কর্মচঞ্চল সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের নাম ছায়ানট। এর সঙ্গে সম্পূরক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাঙালির মননকে সিক্ত করে চলেছে রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ। এই সংস্কৃতিভবন উদ্বোধনের দিন প্রয়াত ওয়াহিদুল হক বলেছিলেন, “নগরের মানুষদের অসাম্প্রদায়িক করার আন্দোলনে ছায়ানট খানিকটা সফল হয়েছে। এবারে গ্রামের সাধারণ মানুষকেও শুদ্ধ সংস্কৃতির পরশ দিতে হবে। সকলকে সঙ্গে নিতে পারলে সম্পূর্ণ বাঙালি হওয়া যাবে।”

সুদীর্ঘ পঞ্চশ বছরে আমাদের সমাজ ও সংস্কৃতির অনেক পরিবর্তন ঘটেছে। রমনা বটমূলের এই নববর্ষ উদ্যাপন এখন সারা দেশ এবং বাঙালি অধ্যুষিত বিদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। লক্ষ লক্ষ বাঙালি বাংলা নববর্ষে পথে নেমে পড়ে। নুতন জামা কাপড় পড়ে এক উজ্জ্বল সকালে তাদের আনন্দঘন উপস্থিতি বাঙালির অস্তিত্বের জানান দেয়। পাশাপাশি চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে বের হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিকাশের এক অসাধরণ অগ্রযাত্রার প্রতীক বাঙালির এসব আয়োজন। কিন্তু তা সত্ত্বেও সম্প্রতি ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে আমাদের আলোর পথযাত্রাকে পুরোনো সেই সাম্প্রদায়িক শক্তিসমূহ অন্ধকারাচ্ছন্ন করতে চাইছে। কোমলমতি তরুণদের বিভ্রান্ত করে ফেলতে চাইছে। অথচ সেই কতো আগে রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন, “যে দেশে প্রধানত ধর্মের মিলেই মানুষকে মেলায়, অন্য কোন বাঁধনে তাকে বাঁধতে পারে না, সে দেশ হতভাগ্য। সে দেশ স্বয়ং ধর্মকে দিয়ে যে বিভেদ সৃষ্টি করে সেইটে সকলের চেয়ে সর্বনেশে বিভেদ। মানুষ বলেই মানুষের যে মুল্য সেইটেকেই সহজপ্রীতির সঙ্গে স্বীকার করাই প্রকৃত ধর্মবুদ্ধি।” (রবীন্দ্র রচনাবলী, দ্বাদশ খ-, পৃ. ৬৬৬)।

এমন বিভেদকে ঠেকানোর একটা বড়ো উপায় হতে পারে সংগীত চর্চা। কেননা, সংগীতই পারে জীবনের অসামঞ্জস্যগুলোর অবসান ঘটিয়ে এক নয়া পারসপেকটিভ দিতে। সংগীত শিল্পের এই অসাধারণ ক্ষমতার কথা রবীন্দ্রনাথই তার ছিন্নপত্রে বলে গেছেন ।সেই পরিপ্রেক্ষিতে মনে রেখেই আমরা স্মরণ করবো বাঙালির পঞ্চাশ বছর ধরে সাহসের সঙ্গে স্বকীয় সংস্কৃতি ও জাতিসত্তার পক্ষে এগিয়ে যাবার এই অবিস্মরণীয় কাহিনী।

এই বটমূলেই নিক্ষিপ্ত হয় বিধ্বংসী বোমা। সেদিন মাত্র কয়েক মিনিট আগে ঠিক ঐ জায়গাতেই আমি সস্ত্রীক দাঁড়িয়ে ছিলাম। তাড়া ছিল বলে বের হয়ে এসেছিলাম সেখান থেকে। কিন্তু সেদিন ঐ আক্রমণে হারিয়েছি আমরা বেশ কিছু তাজা প্রাণ। এরপর একের পর এক কত ঘটনাই না ঘটে গেল। এখনও দেখছি কত চ্যালেঞ্জ, কত প্রতিবন্ধকতা। কিন্তু তাই বলে সংস্কৃতি কর্মীরাও বসে নেই। তারাও সজাগ হয়ে লড়াই করে যাচ্ছে।

প্রতিবন্ধকতা আসবেই। কিন্তু আমাদের সংস্কৃতি এবং মুক্তবুদ্ধির চর্চা অবশ্যই এগিয়ে নিতে হবে। আজ জাতিসত্তা নির্মাণে ছায়ানট যে ভূমিকা পালন করে চলেছে সেটাকে শহর থেকে বের করে গ্রামেগঞ্জে ছড়িয়ে দিতে হবে। জেলা এবং উপজেলাগুলোতে ছায়ানটের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে। ছায়ানটের দীপ্ত আলো ছড়িয়ে দিতে হবে সর্বত্র। রমনা বটমূলে নববর্ষ উদ্যাপনের পঞ্চাশ বছরে সবার প্রতি রইল শুভেচ্ছা।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে)