চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বাঙালির অন্যতম বীর সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন

খুলনা প্রতিনিধি: এদেশের স্বাধীনতা অর্জনে বাংলার যে কয়জন বীর সন্তান আত্মত্যাগ করেছেন তাদের মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন অন্যতম। ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পলাশ যুদ্ধজাহাজে ইঞ্জিনরুম আর্টিফিশিয়ার এর দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ১০ ডিসেম্বর রুহুল আমিন ও তার সহযোদ্ধা মহীবুল্লাহ শহীদ হন খুলনা শিপইয়ার্ডের অদূরে।

বিজ্ঞাপন

চালনা বন্দর, হিরন পয়েন্ট এবং খুলনার তিতুমীর নৌঘাটি দখলের উদ্দেশ্যে যুদ্ধজাহাজ পলাশ ও পদ্মা ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর কলকাতার হলদিয়া বন্দর থেকে খুলনা অভিমুখে রওনা হয়।

১০ ডিসেম্বর খুলনা শিপইয়ার্ডের কাছে পৌঁছালে মিত্র বাহিনীর তিনটি যুদ্ধ বিমান ভুল বশত বোমা নিক্ষেপ করে। কমান্ডারের নির্দেশে এ দুটি জাহাজের যোদ্ধারা জীবন বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়লেও রুহুল আমিন ইঞ্জিনরুমে থেকে জাহাজকে নিরাপদ দুরত্বে নিয়ে যাবার চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। কিছুক্ষণের মধ্যে ইঞ্জিনরুমের ওপরও বোমা বিস্ফোরিত হয়।

বিজ্ঞাপন

মারাত্মক আহত অবস্থায় শিপইয়ার্ডের পাকিস্তানী সেনা ও তাদের অনুসারীদের হাতে ধরা পড়ে নির্মমভাবে নিহত হন তিনি।

রুহুল আমীন ও তার সহযোদ্ধা মহীবুল্লাহর মরদেহ রূপসা নদীর পূর্ব পাড়ে সমাহিত করে স্থানীয় জনতা। স্বাধীনতার পর রুহুল আমীনকে বীরশ্রেষ্ট ও মহিবুল্লাহকে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করে সরকার।

মক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ভবিষ্যত প্রজন্মকে আরো ভালোভাবে জানাতে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের সমাধিকে আধুনিকায়ন করে কমপ্লেক্স’এ রূপান্তরিত করার দাবি স্থানীয় জনগণের।

বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্ট: