চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বাংলাদেশ এখন আর যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জিএসপি সুবিধা চায় না

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ জাতীয় সংসদে বলেছেন, বাংলাদেশ এখন আর যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জিএসপি সুবিধা চায় না। প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেন, বাংলাদেশ যখন উন্নয়নশীল দেশ হবে তখন জিএসপি প্লাস সুবিধা নিয়ে রপ্তানীতে এগিয়ে যাবে।

বিজ্ঞাপন

জাতীয় সংসদ অধিবেশনের শুরুতেই ছিলো প্রশ্নোত্তর পর্ব। বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ রপ্তানি খাতে যথেষ্ট উন্নতি করেছে। এখন ১শ’ ৯৯টি দেশে ৭’শ ৪৪টি পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ। আর এরমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া বেশিরভাগ দেশই বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা দেয়।

তিনি বলেন: এর মধ্যে কয়েকটি দেশে বাংলাদেশী সকল পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে এবং কয়েকটি দেশে কিছু পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে।ইইউভুক্ত সকল দেশে থেকে ইবিএ স্কিমের আওতায় বাংলাদেশী সকল পণ্যের (অস্ত্র ও গোলাবারুদ ব্যতিত) শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা আদায় করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তোফায়েল আহমেদ বলেন, এছাড়া অস্ট্রেলিয়া, নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড থেকে জিএসপি’র আওতায় অস্ত্র ও গোলাবারুদ ব্যতিত সকল পণ্যে, চিলি থেকে জিএসপি’র আওতায় গম, গমের আটা ও চিনি ব্যতিত সকল পণ্যে, তুরস্ক থেকে জিএসপি’র আওতায় গার্মেন্টস, অস্ত্র ও গোলাবারুদ ব্যতিত সকল পণ্যে, জাপান থেকে জিএসপি’র আওতায় অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ স্বল্প সংখ্যক পণ্য ব্যতিত প্রায় সকল পণ্য শুল্কমুক্ত রপ্তানীর সুবিধা ভোগ করছে।

তিনি জানান, রাশিয়া, বেলারুশ, কাজাখস্তান, কিরগিজিস্তান ও আর্মেনিয়া থেকে জিএসপি’র আওতায় ৭১টি পণ্যে, থাইল্যান্ড থেকে ‘ডব্লিউটিও এগ্রিমেন্ট’এর অধীনে ৬ হাজার ৯৯৮টি পণ্যে ও বিমস্টেকের অধীনে ২২৯টি পণ্যে, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ‘প্রিফ্র্যান্সিয়াল ট্যারিফ ফর লেস্ট ডেভেলপড কান্ট্রিস’ রে আওতায় ৪ হাজার ৮০২টটি পণ্যে, চীন থেকে ‘ডিউটি ফ্রি ট্রিটমেন্ট গ্র্যান্টেড বাই চায়না’ এর আওতায় ৫ হাজার ৫৪টি পণ্যে, মালয়েশিয়া থেকে জিএসপি’র আওতায় ৫২৫টি পণ্যে এবং কানাডা থেকে জেনারেল ‘প্রিফ্র্যান্সিয়াল ট্যারিফ (জিপিটি)-এর আওতায় পোলট্রি, ডেইরী, ডিম, অস্ত্র ও গোলাবারুদ ব্যতিত সকল পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।

এছাড়া ভারত থেকে ‘সাফটা’এর আওতায় টোবাকো ও ড্রাগ (অ্যালকোহল) ব্যতিত সকল পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে বাংলাদেশ ৩৮ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি করেছে। আর ১৭-১৮ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, ৪১ বিলিয়ন ডলার।আরেক প্রশ্নের উত্তরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, পাটকে সরকার অগ্রাধিকার দেয়। এবং এ খাতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রয়োজনীয় সব কিছু করা হচ্ছে।