চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বর্ষার আগেই রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রস্তুতির নির্দেশ

আসছে বর্ষা মৌসুমে রাজধানীর মিরপুর, ক্যান্টনমেন্ট ও উত্তরা এলাকাকে জলাবদ্ধতা থেকে সুরক্ষায় এখনই কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার।

বিজ্ঞাপন

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দুই মন্ত্রী এই তথ্য জানিয়ে বলেছেন, ঢাকার পশ্চিমাঞ্চলে জলাবদ্ধতার জন্য পানি নিষ্কাশনের পথে বাধাসমূহ চিহ্নিত করা এবং গোড়ানচটবাড়ি পাম্পকে কাজে লাগিয়ে নাগরিক ভোগান্তি কমাতে তারা এখন থেকেই তৎপর।

দেশে ১৯৮৮ সালে বন্যার বাস্তবতায় ঢাকার পশ্চিমাঞ্চলে ১৩৬ বর্গকিলোমিটার এলাকায় নির্মিত হয় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। ‘ঢাকা সমন্বিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পে’র আওতায় পরবর্তীতে মিরপুর, ক্যান্টনমেন্ট এবং উত্তরার মতো জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ আবাসনকে জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষায় ১৯৯৬-১৯৯৮ সালে নির্মিত হয় গোড়ানচটবাড়ি পাম্প হাউজ।

বিজ্ঞাপন

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দুই মন্ত্রী রোববার গোড়ানবাড়ি পাম্প হাউজে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সমন্বিত সভা করেন। তারা মিরপুর-ক্যান্টনমেটেন্ট-উত্তরায় পানি নিষ্কাশনের পথে বিভিন্ন অবকাঠামোগত বাধা, ড্রেনেজ সিস্টেম চালু এবং নাগরিক অবহেলার কারণে পানি নিষ্কাশনের পথ অবরুদ্ধ কি না তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন। পরে পাম্প হাউজ পরিদর্শন শেষে পাম্পগুলোর সক্ষমতা ও কার্যক্রম যাচাই করেন দুই মন্ত্রী।

মূলত মিরপুর, উত্তরা ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকার পানি বিভিন্ন খাল-ড্রেনেজ হয়ে নিষ্কাশনের পর তা পড়ছে মেট্রো রেলের জন্য ৪০ একর জমি বাদ দিয়ে বর্তমানে ছয়’শ ছত্রিশ একর পন্ডিং এরিয়াতে (উন্মুক্ত জলাশয়ে)। এই জমাকৃত পানি তিনটি পাম্প হাউজের ৯টি পাম্পের মাধ্যমে গোড়ানচটবাড়ি হাউজ থেকে পাম্প করে তুরাগ নদীতে ফেলা হয়।

তবে ঢাকা সমন্বিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সাথে সমন্বয় করে স্বল্প মেয়াদের পরিকল্পনা দেয়ার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিস্তারিত ভিডিও রিপোর্টে: