চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বর্ষবরণ নির্বিঘ্ন করতে আকাশে থাকবে র‌্যাবের হেলিকপ্টার

বর্ষবরণ নির্বিঘ্ন করতে উৎসবের মূল কেন্দ্র রমনা পার্ক ও মঙ্গল শোভাযাত্রার উপর হেলিকপ্টার দিয়ে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে এলিট ফোর্স র‌্যাব।

বিজ্ঞাপন

প্রথমবারের মতো শিশু ও বৃদ্ধদের বিশ্রামের জন্য রমনা ও হাতিরঝিলে বৈশাখী লাউঞ্জ করা হচ্ছে। সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে পুরো অনুষ্ঠানস্থল নজরদারীতে থাকবে।

শুক্রবার দুপুরে রমনা বটমূলে পয়লা বৈশাখের নিরাপত্তা বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ।

র‌্যাব ডিজি বলেন, দেশবাসী বর্ষবরণের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। আগামীকাল উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য দেশব্যাপী নিরাপত্তা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে র‌্যাব।

উৎসবের প্রাণকন্দ্র রমনা হলেও গত কয়েকবছর ধরে রাজধানীর হাতিরঝিল, রবীন্দ্র সরোবর, উত্তরাসহ বিভিন্নস্থানে অনুষ্ঠান হয়। বেশি জায়গায় অনুষ্ঠান হলে নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ বেড়ে গেলেও রমনায় জনসমাগমটা কম হয়। জনগণের উৎসব আনন্দমুখর করতে আমরা যে কোন চ্যালেঞ্জ গ্রহণে প্রস্তুত। রমনাসহ অন্যান্য জায়গায় সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিশ্চিত করবে র‌্যাব।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, রমনা পার্ক ও মঙ্গল শোভাযাত্রা এলাকায় আকাশ থেকে হেলিকপ্টরসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়া, পেট্রোল টিমের পাশাপাশি থাকবে র‌্যাবের চেকপোস্ট।

রমনায় প্রতিবার র‌্যাবের কন্ট্রোলরুম থাকলেও এবার প্রথমবারের মতো হাতিরঝিলে কট্রোলরুম থাকবে। রমনা পার্ক এলাকায় জেডস্কি দিয়ে পেট্রোল করা হবে।

তিনি আরো বলেন, প্রথমবারের মতো শিশু ও বৃদ্ধদের বিশ্রামের জন্য রমনা ও হাতিরঝিলে বৈশাখী লাউঞ্জ করা হচ্ছে। সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে পুরো অনুষ্ঠানস্থল নজরদারীতে থাকবে।

রমনা ও হাতিরঝিলে প্রথমবারের মতো মোবাইলকোর্ট থাকছে জানিয়ে তিনি বলেন, নারীদের হয়রানীসহ যে কোন অপ্রীতিকর পরিস্থাতির বিরুদ্ধে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আশেপাশের বস্তি ও আবাসিক হোটেলে অভিযান চালানো হচ্ছে, সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জঙ্গি গোষ্ঠীর উপর নজরদারি থাকছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় কে কী বলছে, সে বিষয়ে নজরদারি করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

নিরাপত্তায় কোন হুমকি নেই উল্লেখ করে বেনজীর আহমেদ বলেন, প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এখানে যারা আসবেন তারা যেন আস্থা অনুভব করতে পারেন। কারণ আস্থা নিশ্চিত হলে উদযাপন পূর্ণতা পায়।