চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘ফণী’ মোকাবেলায় কক্সবাজারে ব্যাপক প্রস্তুতি

ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র আঘাত মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। ফণীর আঘাত থেকে মানুষের প্রাণ বাঁচাতে কক্সবাজারে প্রস্তুত করা হয়েছে ৫৩৮টি আশ্রয়কেন্দ্র।

জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি সভায় এ তথ্য জানােনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, ফণী মোকাবিলায় কক্সবাজার জেলায় ৪৩০টি ইউনিটের আওতায় ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপির) ৬ হাজার ৪৫০ জন সদস্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়াও ১ হাজার ৭শ’ জন স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুত রয়েছেন। কক্সবাজার রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির আওতায় ১হাজার ২শ’জন লোক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ৭শ’জনকে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায়, অন্যান্যদের জেলার বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে।

সভায় আরও জানানো হয়, কক্সবাজার সিভিল সার্জন অফিসের পক্ষ থেকে ৮৯টি মেডিকেল টিমসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ সামগ্রী প্রস্তুত রাখা হয়েছে। একই সাথে কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে ৬টি ইউনিটের ৩৬ জন কর্মকর্তার সমন্বয়ে ১৩৮ জন লোক ও বিদ্যুৎ বিভাগের ৬টি টিম কাজ করবে বলে সভায় জানানো হয়েছে। পুরো জেলায় ৫৩৮টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এসব আশ্রয় কেন্দ্রের জন্য প্রয়োজনীয় শুকনো খাবারসহ সব ধরণের প্রস্তুতির কথা সভায় জানানো হয়।

এসময় জেলা প্রশাসক(ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার জানান, ইতোমধ্যে জেলার সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ওয়ার্ড ভিত্তিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থা কমিটিগুলোকে সতর্ক রাখা হয়েছে। পাশাপাশি উখিয়া ও টেকনাফে অবস্থিত রোহিঙ্গাদের কথা বিবেচনা করে কক্সবাজার ত্রাণ ও শরণার্থী প্রত্যাবাসন কমিশনারের সাথে আলাদাভাবে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসকের(ভারপ্রাপ্ত) সভাপতিত্বে সভায় আবহাওয়া অফিস, বিদ্যুৎ অফিস, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, সিভিল সার্জন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, ফায়ার সার্ভিস, পৌরসভা, জেলা পুলিশ, সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।