চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

প্রতিবাদী গানে চমকে দেওয়া অনুপম রায়

প্রেম কিংবা নাগরিক জীবনের হৃদয়ভিত্তিক মৃদুমন্দতার গানে ভালোই পরিচিতি মিলেছে অনুপম রায়-এর। দু হাতে লিখছেন, সুর করছেন আর গাইছেন। গাওয়াচ্ছেনও। ‘

বিজ্ঞাপন

‘অটোগ্রাফ থেকে শুরু করে ‘পিকু’। টালিউড থেকে বলিউড। একক, ব্যান্ড বা সিনেমা।  ‘আমাকে আমার মত থাকতে দাও’, ‘বোবা টানেল’, ‘গভীরে যাও’ থেকে আজকের ‘আমি কি তোমায় খুব বিরক্ত করছি’ অথবা ‘আমার দুঃখগুলো কাছিমের মত’। মাঝে গান গেয়ে নেন ‘বাংলাদেশের মেয়ে’ কে নিয়েও।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুপমের ইমেজটা পাশের বাড়ির সুবোধ ছেলেটার মত। যেন আচমকাই চেনা ইমেজের মধ্যে মিশিয়ে দিলেন বিদ্রোহীর আমেজ। পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তীব্র অশান্তির বাতাবরণ তৈরী হয়েছে। অনুপম রায় বেঁধে বসেছেন গান। করেছেন সুর। তুলে নিয়েছেন কণ্ঠে। শুরু হয়েছে তুলকালাম। তিনি গিটারে গেয়ে যান, আমরা যারা ভোট দি/ ভাবি সবই সত্যি/ মুরগী হচ্ছি রোজ/ তাও এক স্কুলে ভর্তি/ এইভাবে চলছে চলবে/ ধর্মের কল নড়ছে নড়বে/ আসলে সবাই হীরক রাজা রানী/ রাজ্যে করে ঝগড়া/ কেন্দ্র করি দোস্তি/ আমরা ভরি ট্যাক্স আর নেতা করে মস্তি/ হায়রে হায় আমরা কাকে ভোট দি/ গণতন্ত্রের বারটা বাজছে/ বিদ্বজনে পরাটা ভাঁজছে/ গন্ধ পাচ্ছে মাওবাদী/ রাস্তায় নামে মোমবাতি/ ভুল করে বোমা ফেটে যায়/ পুলিশ কলেজ গেটে যায়।

গানটি রাজ্যের শাসক মহলকে চমকে দিয়েছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দল সিপিআইএম এর রাজ্যসভার নেতা যাদবপুরের সংসদ সদস্য কমরেড সুজন চক্রবর্তী চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেছেন, অনুপম সাহস নিয়ে সত্যি কথা কথা এবং সুরে বলেছে। তাকে হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে লাল সালাম। তবে এটি কত তাড়াতাড়ি নিষিদ্ধ করবে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তাই ভাবছি। কেন্দ্রও নিষিদ্ধ করতে পারে গানটি বলে মনে হচ্ছে।

এ বিষয়ে অনুপম রায় শুক্রবার বিকালে ফোনে চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, যা বলার গানে বলেছি। আমি এখন একটা কাজে। পরে কথা বলব প্লিজ।

অনুপমের প্রতিবাদী গান