চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নেইমারকে বেচতে রাজি পিএসজি

হরেক রকম গুঞ্জনের মাঝেই বোমা ফাটল! নেইমারকে বেচতে রাজি প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন (পিএসজি)। তবে রিয়াল মাদ্রিদে যেতে একটা শর্ত পূরণ করতে হবে ব্রাজিলিয়ান তারকাকে। চলতি মৌসুমে পিএসজিকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতাতে হবে। ফ্রেঞ্চ জায়ান্টদের এমন শর্তের খবর নিশ্চিত করেছে গোল ডটকম।

বিজ্ঞাপন

ফুটবলের জনপ্রিয় সাইটটির প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, পিএসজি প্রেসিডেন্ট নাসের আল-খেলাইফি নেইমারকে কথা দিয়েছেন, যদি ক্লাবকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ দিয়ে রাঙাতে পারেন, তাহলে নেইমারের স্পেনে যাওয়ার গ্যারান্টি পাক্কা।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় নেইমারের ঘনিষ্ঠজনদের বরাতে রিয়াল-কেন্দ্রিক খবর চাউর হয়েছে বেশ। সব খবরেই এক সুর, সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ফেরাই এখন ব্রাজিল তাকার একমাত্র স্বপ্ন। গত গ্রীষ্মে অনেক জলঘোলার পর বার্সেলোনা থেকে রেকর্ড ২২২ মিলিয়ন ইউরোতে পিএসজিতে পাড়ি জমান নেইমার। আবার স্পেনে মন টানছে তার।

অবশ্য ফ্যাশনের শহর প্যারিসে ভাল সময়ই কাটাচ্ছিলেন নেইমার। পিএসজির জার্সি গায়ে এপর্যন্ত ২৩ ম্যাচে করেছেন ২৪ গোল। কিন্তু রিয়ালের একজন নেতৃস্থানীয় খেলোয়াড় হওয়ার ইচ্ছা গোপন করেনি।

বিজ্ঞাপন

নেইমারের মত রিয়ালও চাইছে তাকে দলে নিতে। সেজন্য ক্লাবের হয়ে অবিশ্বাস্য রেকর্ড থাকার পরও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে বলি দিতে রাজি লস ব্লাঙ্কোসরা।

বার্সায় নাম লেখালেও রিয়ালের সঙ্গে নেইমারের সংযোগটা অনেক আগের। ২০০৬ সালে বার্নাব্যুর ক্যাম্পে ২০ দিন কাটিয়েছিলেন তিনি। আর ১৩ বছর বয়সে, অর্থাৎ ২০১৩ সালে রিয়ালে প্রায় যোগই দিয়ে ফেলেছিলেন ব্রাজিলিয়ান ওয়ান্ডার কিড। কিন্তু সে যাত্রায় বার্সা তাকে হাত করলেও ক্ষান্ত দেয়নি রিয়াল।

পিএসজির সঙ্গে ২০২২ সাল পর্যন্ত চুক্তি থাকলেও তাই দ্রুতই নেইমারকে পাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে রিয়াল। নেইমারের বর্তমান চুক্তিতে কোন বাই আউট ক্লোজ নেই, যার কারণে ফরাসি ফুটবল সংস্থা এলএফপি ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করতে পারবে না, সম্প্রতি এমন খবর প্রকাশের পর লস ব্লাঙ্কোসরা কাজটা আরও সহজ হবে বলেই ধরে নিচ্ছে।

তবে সবকিছুই নির্ভর করছে আল-খেলাইফির সবুজ সংকেতের উপর। সেটা দিয়ে তিনিও প্রস্তুত, যদি তাদের এখনকার একমাত্র আকাঙ্খা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতাতে পারেন নেইমার।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে চলতি মৌসুমে এরইমধ্যে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে পিএসজি। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ আবার রিয়াল মাদ্রিদ। নেইমারকে ধরে রাখার মত এই ম্যাচেও প্রতিপক্ষের দিক থেকে যে পিএসজিকে মারাত্মক প্রতিদ্বন্দ্বীতার মুখে পড়তে হবে, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।