চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বগুড়ায় নিহত বিএনপি নেতা শাহীনের বাসায় ফখরুল

বগুড়া সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিহত অ্যাডভোকেট মাহবুব আলম শাহীনের বাসায় গিয়ে পরিবারের সাথে কথা বলে তাদের শান্তনা দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার শাহীনের বগুড়ার বাসায় গিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমানে দেশে আইনের শাসন নেই, ন্যায়বিচার নেই, মানবাধিকার নেই। দেশে আইন শৃংখলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। কোথাও কারো নিরাপত্তা নেই।

বিজ্ঞাপন

তিনি যোগ করেন, বিএনপি নেতা শাহীন হত্যা প্রমাণ করে দেশে আইনশৃংখলা বলতে কিছু নেই। তাই দেশের মানুষকে সকল অপকর্মের বিরদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে, রুখে দাঁড়াতে হবে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, শাহীনের পরিবার আজ অসহায়। জনগণের পাশে দাঁড়ানোই শাহীনের অপরাধ। এ হত্যাকাণ্ডে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান অত্যন্ত মর্মাহত। তারা বলেছেন, বগুড়াবাসীর পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকবো।

এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সাথে জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলো, বগুড়া শহরের নিশিন্দারা এলাকার মৃত কালুর ছেলে পায়েল শেখ (৩৮) ও নিশিন্দারা মন্ডল পাড়ার আবু তাহেরের ছেলে রাসেল (২৮)।  বগুড়া পুলিশ সুপারের কনফারেন্স রুমে প্রেস ব্রিফিং এ বগুড়া পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গত ১৪ এপ্রিল রোববার রাতে উপশহর এলাকায় শাহীনকে ছুরিকাঘাত করে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মঙ্গলবার বিকেলে নিহতের স্ত্রী আক্তার জাহান শিল্পী বাদী হয়ে জেলা মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলামসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

বগুড়া পুলিশ সুপার জানান, মোটর মালিক গ্রুপের দ্বন্দ্বের জের ধরেই হত্যাকাণ্ডটি হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়।  প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামীরা বলেন, ১৪ এপ্রিল সন্ধায় মোটর মালিক গ্রুপের এক নেতার অফিসে গোপন বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে শাহীনকে নিস্ক্রিয় করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১০ জনের একটি দল মোটর সাইকেল নিয়ে এই হত্যাকাণ্ডে অংশ গ্রহণ করে। গ্রেপ্তারকৃত দুজনের মধ্যে ৯টি মামলার আসামী পায়েল এজাহারনামীয় এবং অপরজন রাসেল সন্দেহভাজন আসামী।