চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘নির্বাচনের আগে শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চেয়েছিলো আইএসআই’

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যসহ আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের হত্যার পরিকল্পনা করেছিলো পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই।

ঢাকা থেকে প্রাপ্ত তথ্যের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘ইকোনমিকস টাইমস’ এ তথ্য জানিয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ সরকার তাদের সহযোগীদের সহায়তায় ওই হত্যা পরিকল্পনা বানচাল করে দেয়।পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এর ওই পরিকল্পনাটি বানচাল করে দিয়ে শেখ হাসিনা টানা তিনবারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।’

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘আইএসআইয়ের কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল নাভিদ মোক্তার ওই হত্যা পরিকল্পনার প্রধানের ভূমিকা পালন করেন। জেনারেল নাভিদ ছাড়াও আইএসআইয়ের বেশকিছু এজেন্ট ওই হত্যা পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে বাংলাদেশে পাকিস্তান সমর্থিত মৌলবাদী দল জামায়াতে ইসলামী এ হত্যা পরিকল্পনায় ছিল কিনা তা নিশ্চিত করা যায়নি।’

ওই সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘গ্রিসের পতাকাবাহী একটি জাহাজে করে একে-৪৭, কারবিন বন্দুক ও গ্রেনেড নিয়ে ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের বন্দরে প্রবেশের পরিকল্পনা করা হয়। তবে ওই জাহাজটি মাঝপথে ডুবে যায়। ২০০৪ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন দল ক্ষমতায় থাকাকালে যেভাবে ১০ ট্রাক অবৈধ অস্ত্র দেশে নিয়ে আসা হয়, একইভাবে এসব অস্ত্র আনার চেষ্টা করা হয়েছিলো।’

প্রতিবেদনটিতে অন্য আরেকটি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করার মাধ্যমে অরাজক পরিস্থিতি তৈরির পরিকল্পনা করে ষড়যন্ত্রকারীরা। জাহাজ থেকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে রাজধানী ঢাকায় বোমা বিস্ফোরণেরও পরিকল্পনাও করেছিলো তারা।’

ইকোনমিকস টাইমসের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং ঢাকায় অবস্থিত পাকিস্তান দূতাবাস ওই হত্যা পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিল।’

তবে এতে স্থানীয় কিছু বিএনপি নেতা এ ষড়যন্ত্রের বিষয়ে জানত না বলে আরেক সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়।

তারেক রহমান, দাউদ ইব্রাহিম এবং উলফা নেতা পরেশ বড়ুয়াকে (বর্তমানে চীনে রয়েছে) ২০০৪ সালের অস্ত্র চোরাচালান মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।

ভারতীয় এই সংবাদমাধ্যম বলছে, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট শেখ হাসিনার ওপর গ্রেনেড হামলা করা হয়েছিল এবং এতে দলের কিছু জ্যেষ্ঠ নেতা মারা গিয়েছিল ও অন্যরা আহত হয়েছিল। ঠিক একই কায়দায় আবারো হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিলো তারেক রহমান ও আইএসআই।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘পাকিস্তান সমর্থিত বিএনপি ও মৌলবাদী দল জামায়াতে ইসলামীকে পুনরায় ক্ষমতায় আনতে নানাভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। আর এসব পরিকল্পনার মূল হোতা হলেন তারেক রহমান।’

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘আইএসআই ষড়যন্ত্রের মূল চাবিকাঠি ছিল। আইএসআইয়ের দুবাইভিত্তিক এজেন্ট ও তারেক রহমানের সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর করা হয়।’

FacebookTwitterInstagramPinterestLinkedInGoogle+YoutubeRedditDribbbleBehanceGithubCodePenEmail