চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

না থেকেও আছেন রাজ্জাক

সাত ম্যাচে তুলে নিয়েছিলেন ২১ উইকেট। তার বোলিং বিষে পুড়ছিল প্রতিপক্ষ দলের ব্যাটসম্যানরা। শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের বাঁহাতি স্পিনার আব্দুর রাজ্জাকের আর মাঠেই নামা হয়নি। হ্যামস্ট্রিংয়ের মারাত্মক চোটে শেষ হয়ে গেছে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। ডান উরুর পেশি (হ্যামস্ট্রিং) ছিঁড়ে গেছে। আরও দেড় মাস বিশ্রামে থাকতে হবে শেখ জামালের অধিনায়ককে। তার জায়গায় অধিনায়ক এখন রাজিন সালেহ।

খেলতে না পারলেও দলের সঙ্গেই আছেন রাজ্জাক। অনুশীলনে, ড্রেসিংরুমে থেকে সতীর্থদের উজ্জীবিত করছেন এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। শেষ দুটি ম্যাচে রোমাঞ্চকর জয় তুলে সুপার লিগ নিশ্চিত করেছে তার দল। রাজ্জাক মনে করেন লিগ যেভাবে যাচ্ছে তাতে যেকোনো দলেরই শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

‘শেষ দুটি ম্যাচ আমরা দারুণভাবে জিতেছি। দেখে খুব ভাল লেগেছে। এটা তো শেষ নয়; নতুনভাবে সুপার লিগ শুরু হচ্ছে। আমার দলের চেষ্টা থাকবে ভাল করার। এখন পয়েন্টের ব্যবধান খুব বেশি নয়। যেকোনো দল ঘুরে দাঁড়াতে পারে। যে কেউই শিরোপা জিততে পারে।’

৬ মে বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে রান আউট থেকে বাঁচতে ডাইভ দিয়ে চোট পান আব্দুর রাজ্জাক। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চেকআপের জন্য তাকে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে আনা হয়।

খেলাঘরের বিপক্ষে ওই ম্যাচে বল হাতে পাঁচ উইকেট নেন রাজ্জাক। দলের বিপদের সময় ব্যাট হাতেও দারুণ লড়ছিলেন। ৮ বলে ১০ রান নিয়ে খেলছিলেন। রাজ্জাক বেরিয়ে যাওয়ার পর ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে শেখ জামাল। ২৬৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নামা দলটি ইনিংসের ১৬ বল আগেই অলআউট হয় ২৪৬ রানে। টানা চার ম্যাচে জয়ের পর ২০ রানে ম্যাচ হারে শেখ জামাল।