চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নানা সমস্যায় জর্জরিত শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল

চিকিৎসক ও লোকবল সংকটে ব্যাহত হচ্ছে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা। ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, অতিরিক্ত রোগীর চাপ, দালালের দৌরাত্ম্য ও চিকিৎসকদের ক্লিনিক ব্যবসার মধ্যেই চলছে ১শ’ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটির চিকিৎসা সেবা।

বিজ্ঞাপন

১৯৮৫ সালে নির্মিত হয় শরীয়তপুর সদর ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল। ২০০৩ সালে ১শ’ শয্যায় উন্নীত হলেও ৫০ শয্যার চিকিৎসক নেই হাসপাতালটিতে। প্রতিদিন ইনডোরে ১৩০ থেকে ১৫০ জন এবং আউটডোরে ৪শ’ থেকে ৫শ’ জন রোগী চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন ।

বিজ্ঞাপন

হাসপাতালে ২৪ জন মেডিকেল অফিসার থাকার কথা থাকলেও কাজ করছেন মাত্র ৫ জন। আল্ট্রাসনোগ্রামের ব্যবস্থাও নেই।

এছাড়া হাসপাতালের আধা কিলোমিটার এলাকার মধ্যে ১২টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে।

২০১৭ সালের নভেম্বরে হাসপাতালের নিচতলার ১৭টি স্থানের ছাদের নিচের অংশ ভেঙে পড়ে। তখনই জেলা প্রশাসক ও প্রকৌশলীরা ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিকিৎসা সেবা সীমিত করার কথা বললেও বিকল্প কোন ব্যবস্থা না থাকায় ওই ভবনেই চলছে চিকিৎসা সেবা।