চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নজিরবিহীন আক্রমণের শিকার পাকিস্তান কোচ-অধিনায়ক

প্রথম ম্যাচ হারের চুলচেরা বিশ্লেষণে যখন ব্যস্ত পাকিস্তান, তখন দলেরই এক সাবেক অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদকে নজিরবিহীন আক্রমণ করেছেন। বলেছেন, ‘সরফরাজের ভুঁড়ি বেরিয়ে আসছে। তার মুখটাও ফুলে গেছে।’ এমন আক্রমণ যার কাছ থেকে এসেছে তিনি রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস শোয়েব আখতার।

বিজ্ঞাপন

দলের চরম ব্যর্থতার পর মুখ খুলেছেন সাবেক অধিনায়ক ও ১৯৯২ বিশ্বকাপজয়ী দলের কোচ ইন্তিখাব আলম। তার পরামর্শ, ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাস ফেরাতে কোচ মিকি আর্থারের কাউন্সেলিং করানো প্রয়োজন।

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে লজ্জার হার হারতে হয় পাকিস্তানকে। দলের এমনই করুণ অবস্থা যে, ৫০ ওভার পর্যন্ত ব্যাটও করতে পারেননি ব্যাটসম্যানরা। সেই ম্যাচ হারের দায় পুরোপুরি অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদের উপরেই চাপান সাবেক ফাস্ট বোলার শোয়েব আখতার।

বিজ্ঞাপন

বিশ্বকাপ নিয়ে আলোচনায় একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে শোয়েব বলেন, ‘সরফরাজ যখন টস করতে এল, তখন তার ভুঁড়ি বেরিয়ে আসছে। তার মুখও খুবই ফোলা লাগছিল। আমি ক্রিকেট ইতিহাসে এই প্রথম এমন একজন অধিনায়ককে দেখলাম যে, এতটা আনফিট।’

শুধু এখানেই থেমে থাকেননি শোয়েব। আক্রমণের নিশানা আর একবার সরফরাজের দিকে রেখে তার মন্তব্য, ‘তার তো নড়াচড়া করতেই অনেক সময় লেগে যায়।’

ইন্তিখাব বলছেন, ‘এই মুহূর্তে এমন খারাপ পারফরম্যান্সের পর পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের কাউন্সেলিং প্রয়োজন।’ কিন্তু, এই কাউন্সেলিং কে করবে? তার বক্তব্য, ‘যদিও আমাদের কোচ মিকি আর্থার মাঝেমধ্যেই মাথাগরম করে ফেলেন, তবুও তাকেই এই কঠিন সময়ে খেলোয়াড়দের পথ দেখাতে হবে। তাকে বোঝাতে হবে, বিশ্বকাপে একটা ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ার পরও ফিরে আসা যায়। রাস্তাটা এখানেই শেষ নয়।’

বিশ্বকাপে দলের সঙ্গে ইনজামাম-উল-হকও রয়েছেন, তিনি চাইলে খেলোয়াড়দের কাউন্সেলিং করাতে পারেন- এটা মনে করিয়ে দিতে ইন্তিখাবের জবাব, ‘তাকে কে বলবে কাউন্সেলিং করাতে? সে তো টিম ম্যানেজমেন্টের অংশই নয়। তিনি প্রধান নির্বাচক।’

১৯৯২ বিশ্বকাপে ইমরান খানের দলের কোচ কাম ম্যানেজার আরও বলেন, ‘তোমরা বিশ্বকাপ খেলছ, যেটা চার বছরে একবার হয়। তাই তোমাদের তার আগে যথেষ্ট সময় নিয়ে প্রস্তুত হওয়ার দরকার ছিল। বিশ্বকাপের আগে পরে ১০টা এক দিনের ম্যাচে তারা হেরেছে। তাদের সেই খারাপ পারমরফ্যান্সেরই ছায়া পড়েছে বিশ্বকাপে।’