চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

দীপিকার ‘পদ্মাবতী’ লুকের পেছনের কথা

এই মুহূর্তে বলিউডে আলোচনার মূলে আছে রানী পদ্মাবতীর লুক। দীপিকার রাজকীয় পোশাক এবং জোড়া ভ্রূ দেখে অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে, আসলেই কি রানী পদ্মাবতীর দেখতে এরকম ছিলেন?

কিন্তু সঞ্জয় লীলা বনসালির ছবি মানেই বিশেষ কিছু। যথেষ্ট পরিমাণে রিসার্চ না করে তিনি কোনো কাজে হাত বাড়ান না। বিশেষ করে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে তৈরি এই ছবির চরিত্রগুলোকে নিখুঁত ভাবে ফুটিয়ে তুলতে যথেষ্ট খাটতে হয়েছে তাকে।

ছবির পোশাক ডিজাইন করেছেন রিম্পল নারুলা এবং হারপিত নারুলা। এপ্রসঙ্গে রিম্পল নারুলা বলেন, ‘পদ্মাবতীর গল্প নিয়ে এখনও অনেক দ্বিমত আছে। অনেকেই মনে করেন পদ্মাবতী নামে আসলে কারও অস্তিত্বই ছিল না। তবে একারণে আমরা বিষয়টিকে মোটেও হালকা ভাবে নেইনি। ছবির প্রতিটি লুকের পেছনে আছে অনেক বড় পরিসরের রিসার্চ। গল্পটি এগারো এবং বারো শতাব্দীর শুরুর দিকের। তাই সেই সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দীপিকার লুক দেয়া হয়েছে।’

ছবির পোশাকের কাপড় নির্বাচন করা হয়েছে বেশ সতর্কভাবে। হাতে বোনা হালকা কাপড়ের উপরে রাজকীয় নকশায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ডিজাইন। এছাড়া দীপিকাকে পরানো হয়েছে ভারী সব গহনা। মেকআপের আধিপত্য নেই দীপিকার লুকে। কারণ পদ্মাবতীর সময়ে এত মেকআপ করা হতো না। প্রাকৃতিক উপাদানে সামান্য সাজতেন রানী। তাই দীপিকাকেও একদম সামান্য মেকআপ দেয়া হয় ছবির সেটে। এতই অল্প মেকআপ করা হতো যে পোশাক এবং গহনা পরে তার প্রস্তুত হতে সময় লাগতো মাত্র ৩০ মিনিট।

সঞ্জয় লীলা বনসালি পরিচালিত পদ্মাবতীর শুটিং বহুবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে কাহিনী পরিবর্তন এবং অবমাননার অভিযোগে। কিন্তু তার পরেও ছবির শুটিং সফল ভাবে শেষ করেছেন এই পরিচালক।

ছবিতে দীপিকা পাড়ুকন ছাড়াও আরও থাকছেন রণবীর সিং এবং শহীদ কাপুর। ১ ডিসেম্বর ছবিটি মুক্তি পাবে। ডেকান ক্রনিকল।

FacebookTwitterInstagramPinterestLinkedInGoogle+YoutubeRedditDribbbleBehanceGithubCodePenEmail