চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

দীপন হত্যায় ৮ জঙ্গির বিরুদ্ধে চার্জশিট

বিজ্ঞাপন

প্রকাশক ফয়সাল আরেফীন দীপন হত্যার তিন বছর পর মেজর জিয়াসহ ৮জঙ্গিকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দিয়েছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন পাওয়ার পর মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিমের আদালতে এই অভিযোগপত্র দাখিল করে।

অভিযুক্ত হলেন, মইনুল হাসান শামীম ওরফে সামির ওরফে ইমরান, আব্দুর সবুর সামাদ ওরফে সুজন ওরফে রাজু ওরফে স্বাদ, খাইরুল ইসলাম ওরফে জামিল ওরফে জিসান, আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন ওরফে শাহরিয়ার, শেখ আব্দুল্লাহ ওরফে জুবায়ের ওরফে জায়েদ ওরফে জাবেদ ওরফে আবু ওমায়ের ও আকরাম হোসেন ওরফে হাসিব ওরফে আবির ওরফে আদনান ওরফে আব্দুল্লাহ।

কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান বলেন, ঘটনার সঙ্গে আরও দু’জনের সম্পৃক্ততা থাকলেও তাদের নাম,পরিচয়,ঠিকানা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ কারণে ওই দু’জনের নাম অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়নি।

অভিযুক্তদের মধ্যে ৬ জনকে ডিবি গ্রেপ্তার করেছে এবং তারা প্রত্যেকেই আদালতে কার্যবিধি ১৬৪ ধারা অনুযায়ী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তারা হলেন মইনুল হাসান শামীম, আঃ সবুর, খাইরুল ইসলাম, আবু সিদ্দিক সোহেল, মোজাম্মেল হুসাইন ও শেখ আব্দুল্লাহ।

এ মামলায় এখনও দুই জন পলাতক আছেন, তারা হলেন নিষিদ্ধ আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সামরিক শাখার প্রধান ও বরখাস্ত করা মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক ও আকরাম হোসেন।

২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর বিকালে রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেটের তৃতীয়তলায় ‘জাগৃতি’ প্রকাশনীর অফিসে ঢুকে কতিপয় অজ্ঞাত সন্ত্রাসীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খুন হন দীপন। ওইদিন বিকেলে তার স্ত্রী রাজিয়া রহমান শাহবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায়ের বইয়ের প্রকাশক ছিলেন তিনি।

একইদিন রাজধানীর লালমাটিয়ায় আরেক প্রকাশনা সংস্থা শুদ্ধস্বরের কার্যালয়ে ঢুকে এর কর্ণধার আহমেদুর রশীদ চৌধুরী টুটুলসহ তিনজনকে কুপিয়ে আহত করে জঙ্গিরা।