চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

থাইল্যান্ড সীমান্তে গণকবরের বিষয়ে গণতদন্ত করবে মালয়েশিয়া

থাইল্যান্ড সীমান্তের কাছে জঙ্গলের ভেতরে সন্দেহভাজন মানব পাচারকারীদের গোপন শিবিরে গণকবর পাওয়া ও সন্দেহভাজন মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে গণতদন্ত শুরু করেছে মালয়েশিয়া।

বিজ্ঞাপন

দেশটির ন্যায়বিচারকে প্রশ্নের মুখোমুখি করা ওই ঘটনা ২০১৫ সালে আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতাও সৃষ্টি করে।

বুধবার থেকে ওই ঘটনার গণতদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম রয়র্টাস।

মিয়ানমার ও বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া নিয়ে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নৌকায় করে অভিবাসন প্রত্যাশীদের এনে থাইল্যান্ডের দক্ষিণে ও মালয়েশিয়ার উত্তরাঞ্চলের গভীর জঙ্গলে রাখতো মানব পাচারকারীরা। ওই ঘটনার সাথে জড়িতরা নানা ধরনের মাদক চোরাচলানের সাথেও জড়িত।

বিজ্ঞাপন

গত জানুয়ারিতে মালয়েশিয়া সরকার জানিয়েছিল, গণকবর ও মানব পাচারকারীদের শিবির পাওয়ার ঘটনায় যে তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল তা ওই মানব পাচারকারীদের গ্যাং দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠে। এ কারণে তারা একটি নতুন কমিটি করতে যাচ্ছে।

২০১৫ সালে ওই এলাকায় ১৩৯টি গণকবর ও মানব পাচারকারীদের ১২টিরও বেশি শিবিরের খোঁজ পায় পুলিশ।

গত মাসে মালয়েশিয়ার মানবাধিকার কমিশন ও অধিকার গ্রুপ ফোর্টিফাই রাইটস প্রকাশিত এক বার্তায় জানিয়েছিল, খোঁজ পাওয়ার একদিন পর কর্তৃপক্ষ মানব পাচারকারীদের একটি শিবির ধ্বংস করে ফেলেছিল।পুলিশি তদন্তে সহায়তার জন্য যে প্রমাণ প্রয়োজন ছিল তা মুছে ফেলা হয়েছে।

ফাইল ছবি

এক পুলিশ সদস্য জানিয়েছেন, ওই শিবিরে যাওয়ার পরের দিন তিনি শিবিরের অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য ১০ পুলিশ সদস্যের একটি টিম নিয়ে সেখানে যান। কিন্তু তাদের মনে হয়েছে এক নারী শিবিরে থাকা অন্যদের সতর্ক করে দিয়েছে। এরপর তাদেরকে শিবিরে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়।

পুলিশের বরাতে জানানো হয়, গভীর জঙ্গলে অবস্থিত ওই মানব পাচারকারীদের আবাসস্থলগুলো কোনো কোনোটা দোতলারও পাওয়া গেছে। আবার কোনো কোনোটা কাঁটা দিয়ে ঘেরা থাকলেও তার ভেতরে মানুষের বসবাসের আলামত পাওয়া গেছে।