চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

তামিম-ইমরুলের প্রশংসায় দুই অধিনায়ক

অসাধারণ, অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার নিয়েছেন তামিম ইকবাল। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো টেস্ট ড্রয়ের ক্ষেত্রে তামিম ছিলেন মূল ভূমিকায়।

ম্যাচ সেরার পুরস্কার পেয়ে নিজের অনুভূতি তুলে ধরতে গিয়ে ডাবল সেঞ্চুরি হাকানো তামিম পরিকল্পনা মতো খেলতে পারায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

খুলনা টেস্টের এই নায়ক বলেন, ‘আমি খুবই সন্তুষ্ট যে পরিকল্পনামতো খেলতে পেরেছি। এটা আমার এবং দলের জন্য প্রয়োজন ছিলো। আমি আক্রমণাত্মক খেলেছি এবং ইমরুল ইনিংসটা নিয়ন্ত্রণ করেছে। এটা ছিল অসাধারণ জুটি। আমরা ওয়ানডেতে ভালো করেছি এবং টেস্টেও তার সাক্ষর রাখতে পেরেছি’।

বাংলাদেশের সেরা এই ব্যাটসম্যান ম্যাচ পরবর্তী পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে দু’দলের অধিনায়কের কাছ থেকেই পেয়েছেন অকুন্ঠ প্রশংসা। তামিমের আরেক সহযোদ্ধা ইমরুল কায়েসও পেয়েছেন পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি।

তামিমকে অসাধারণ উল্লেখ করে অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম বলেন, ‘তামিম-ইমরুলের নৈপূণ্যে টেস্ট খেলায় আমরা প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের সাথে ড্র করতে সক্ষম হয়েছি। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এই ড্র বাংলাদেশ দলের জন্য অনেক বড় অর্জন। তামিম-ইমরুল যেভাবে ব্যাটিং করেছে তা অবিশ্বাস্য। চমৎকার একটি ইনিংস খেলেছেন তারা’।

তামিম-ইমরুলের রেকর্ড ভাঙ্গা ইনিংসের প্রশংসা করে টাইগার অধিনায়ক বলেন, ‘তামিম-ইমরুল দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ড করেছে।

এরপর টেস্ট দলের অধিনায়ককে প্রশ্ন করা হয় তার আঘাতপ্রাপ্ত আঙ্গুল বিষয়ে।

‘এখন অবস্থার উন্নতি হচ্ছে’ বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

এরপর টেস্ট ম্যাচ নিয়ে নিজের মূল্যায়ন তুলে ধরে মুশফিক বলেন, ‘খুলনার এই পিচে ২০ উইকেট নেয়া কঠিন। আমাদের টপ অর্ডার তাদের দায়িত্ব পালন করেছে। ইমরুল ওয়ানডে দলে জায়গা না পেলেও টেস্টে ভালো খেলেছে। পরবর্তী টেস্ট ম্যাচের আগে আমরা তিন দিন সময় পাবো।’

পরের ম্যাচেও ২০ উইকেট নেয়ার প্রস্তুতি থাকবে বলে জানান তিনি।

পাকিস্তান দলের অধিনায়ক মিসবাউল হকও তামিম-ইমরুলের কৃতিত্বের কথা বলতে কোন  কার্পণ্য করেননি।

মিসবা বলেন, ‘এটা ধীরগতির উইকেট ছিলো। ব্যাটিং এর জন্য আদর্শ। হাফিজ খুব ভালো খেলেছে। তামিম ইমরুল উপভোগ করে ব্যাটিং করেছে। বোলারদের জন্য ওদের মোকাবিলা করাটা কঠিন ছিলো। প্রথম ইনিংসে আমরা কিছু ক্যাচ মিস করেছি, যেটা পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। ২৯৬ রানের লিড পেয়েও আমরা তাদের চাপে ফেলতে পারিনি।

দলের খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, বলের লাইন ঠিক করতে হবে, সঠিক জায়গায় বল ফেলতে হবে। আরো নিয়ন্ত্রিত বোলিং করতে হবে।

‘বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা অসাধারণ খেলেছে। সম্পূর্ণ সার্থকতা তাদেরকেই দিতে হবে।’

উদ্বোধনী জুটিটাই খেলাটা পরিবর্তন করে দিয়েছে বলে মনে করেন মিসবা।

ভাল বোলিংয়ের জন্য নিজ দলের জুনায়েদ খান, ওয়াহাব রিয়াজেরও প্রশংসা করেন পাকিস্তান অধিনায়ক।

FacebookTwitterInstagramPinterestLinkedInGoogle+YoutubeRedditDribbbleBehanceGithubCodePenEmail