চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ডেথ-ওভারের রান সাজঘরে ‘উত্তেজনা আনে’

ক্রিকেট যতটা না শারীরিক তার চেয়ে বেশি মানসিক খেলা। ব্যাট-বলের যুদ্ধ তো হয়ই, যুদ্ধ হয় মনের সঙ্গেও। আগে ব্যাট করার সময় শেষ পাঁচ ওভারে রান না উঠলে কেমন লাগে? শুক্রবার মিরপুরে অনুশীলন করতে এসে সেই উত্তর দিলেন সৌম্য সরকার।

বিজ্ঞাপন

‘একটা রান সব সময়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সেটা যেভাবেই আসুক। শেষের দিকে রান এলে ড্রেসিংরুম উত্তেজনার মধ্যে থাকে। এই সময়ে রান এলে তা প্রয়োজনীয় রান বলে ধরা হয়।’

শ্রীলঙ্কার নিধাস ট্রফির জন্য বাংলাদেশ ৪ মার্চ ঢাকা ত্যাগ করবে। তার আগে যতটা সম্ভব ছেলেদের প্রস্তুত করছেন ভারপ্রাপ্ত হেড কোচ কোর্টনি ওয়ালশ।

বিজ্ঞাপন

এক বছর আগে শ্রীলঙ্কায় খেলতে গিয়ে বাংলাদেশ বেশ ভালো করে। সৌম্য বলছেন, এবার ত্রিদেশীয় সিরিজ, তারপর আবার শুধু টি-টুয়েন্টি। তাই পরিস্থিতি অন্যরকম।

‘আগে শুধু শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলতে গিয়েছিলাম। আর এখন একটা ফরম্যাটে খেলা হলেও প্রতিপক্ষ দুইটা। তাই প্লান আলাদা থাকবে। খেলার ধরনও আলাদা থাকবে। অন্য দেশের মাটিতে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলা কঠিন হবে। আমরা অনুশীলন যতো ভালো করতে পারব, ওখানে গিয়ে আমাদের সফলতার সম্ভাবনা ততো বেশি হবে।’

সৌম্য টি-টুয়েন্টিতে দলে থাকলেও ওয়ানডে এবং টেস্টে জায়গা হারিয়েছেন। তিনি বলছেন অন্য দুই ফরম্যাটে ফেরার চিন্তা এখনই করছেন না, ‘এখনো এটা চিন্তা করিনি। যেহেতু টি-টুয়েন্টি সিরিজ খেলতে যাচ্ছি, তাই এটা নিয়েই চিন্তা করছি। এখানে পারফর্ম করলে যদি তাদের (নির্বাচকদের) মনে হয়, এই পারফর্ম দিয়ে অন্য দলে ফেরা যাবে। সেটা আমার জন্য ভালো।’

শ্রীলঙ্কার ৭০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ভারত, বাংলাদেশকে নিয়ে নিধাস ট্রফি আয়োজন করছে দেশটির বোর্ড। ৪ ফেব্রুয়ারি স্বাধীনতা দিবস হলেও ৬ মার্চ এই টি-টুয়েন্টি টুর্নামেন্টটি শুরু হবে। চলবে ১৮ তারিখ পর্যন্ত।

সৌম্য জানালেন, বাংলাদেশ চেষ্টা করবে প্রত্যেক ম্যাচে ২০০ কিংবা তার কাছাকাছি রান তোলার, ‘অবশ্যই আমাদের অমন চেষ্টা থাকবে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সম্প্রতি আমরা ১৯০ করছি। শেষের দিকে ভালো না করার পরও এই রান হয়েছিল। আমরা যদি শুরু থেকে কিছু রান করতে পারি এবং মাঝখানেও রান আসে, এ ছাড়া বিগহিটাররা যদি বড় কিছু ইনিংস খেলে ফেলতে পারে, তাহলে আশা করি ২০০-এর বেশি রান করতে পারব।’