চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ট্রাফিক ই-প্রসিকিউশন সেবায় কাজ করবে বাংলালিংক ও ডিএমপি

ট্রাফিক ই-প্রসিকিউশনের জরিমানার অর্থ ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে প্রদানের ব্যবস্থায় বাংলালিংক এর ইন্টারনেট সেবা ব্যবহারের উদ্দেশ্যে বাংলালিংক ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) একটি সমঝোতা চুক্তি সই করেছে।

বাংলালিংক নেটওয়ার্ককে এই লক্ষ্যে ডিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগের ই-প্রসিকিউশন সিস্টেমে সংযুক্ত করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার উপস্থিতিতে ডিএমপি-এর পক্ষ থেকে উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দফতর ও প্রশাসন) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী ও বাংলালিংক-এর পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানটির চিফ কমার্শিয়াল অফিসার রিতেশ কুমার সিং এই সমঝোতা চুক্তিতে সই করেন।

এছাড়া এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলালিংক এর চিফ কর্পোরেট এ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান ও চিফ বিটুবি অফিসার শুক্রি বারঘৌট।

বিজ্ঞাপন

ডিএমপি কমিশনার মোঃ আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘ট্রাফিক POS মেশিনের মাধ্যমে প্রসিকিউশন যেমন সহজ ও স্বচ্ছ হচ্ছে, ঠিক সেই সাথে দুর্নীতিও কমেছে। ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশনের পর জরিমানা পরিশোধ করে ট্রাফিক অফিস বা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে কাগজ পেতে জনসাধারণের বিড়ম্বনা পেতে হতো। ভালো সেবা দিয়ে বিড়ম্বনা কমানোই আমাদের লক্ষ্য। এই বিড়ম্বনা রোধ করতে ডিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগের POS মেশিনগুলো ভিপিএন এর নিরাপদ নেটওয়ার্কের আওতায় আনায় ভবিষ্যতে ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড সোয়াইপ (Swipe) করে জরিমানা পরিশোধ করা যাবে।

বাংলালিংক এর চিফ কমার্শিয়াল অফিসার রিতেশ কুমার সিং বলেন,’বিশেষ এই উদ্যোগের সাথে যুক্ত হতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। বাংলাদেশের সামগ্রিক প্রযুক্তিগত উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে এমন উদ্যোগের সাথে বাংলালিংক সব সময় সম্পৃক্ত হতে আগ্রহী।

আমরা আশা করছি, বাংলালিংক এর ইন্টারনেট সেবা ট্রাফিক ই-প্রসিকিউশনের জরিমানা প্রদানের ব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্নভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে।’

ভবিষ্যতেও দেশের ডিজিটালাইজেশনে ভূমিকা রাখতে এ ধরণের উদ্যোগের সাথে যুক্ত হতে চায় বাংলালিংক।