চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

টটেনহ্যামকে হারিয়ে ইউরোপ সেরা লিভারপুল

গত মৌসুমে ফাইনালে গিয়ে হার। এবার আর স্বপ্ন ভঙ্গের বেদনায় পুড়তে হয়নি লিভারপুলকে। শনিবার রাতে অল-ইংলিশ ফাইনালে টটেনহ্যামকে ২-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জিতেছে ইয়ুর্গেন ক্লপের লিভারপুল।

অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের হোমগ্রাউন্ড ওয়ান্ডা মেট্রোপলিতানোয় খেলার শুরুতেই লিভারপুলকে এগিয়ে নেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে প্রথম মিসরি খেলোয়াড় হিসেবে গোল করা মোহামেদ সালাহ।

পরে খেলার শেষ মুহূর্তে ডিভোক ওরিগির গোলে ২০০৫ সালের পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথম এবং সবমিলিয়ে ষষ্ঠ শিরোপা জয় করে লিভারপুল।

গতবার ফাইনালে ইনজুরি নিয়ে চোখের জলে মাঠ ছেড়েছিলেন সালাহ। এবার ফাইনাল রাঙাতে দুই মিনিট সময় নেন এই মিসরীয় তারকা। প্রথম মিনিটে অলরেডদের আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়ে টটেনহ্যাম। এ সময় মুসাসিকোকোর হাতে বল লাগলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। স্পট-কিক থেকে গোল করে লিভারপুল সমর্থকদের আনন্দে ভাসান সালাহ।

১.৫১ মিনিটের মাথায় গোল করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে দ্বিতীয় দ্রুততম গোল করার রেকর্ড গড়েন সালাহ। ২০০৫ আসরের ফাইনালে লিভারপুলের বিপক্ষে ৫০ সেকেন্ডের মাথায় গোল করে তালিকার শীর্ষে রয়েছেন এসি মিলানের সাবেক তারকা পাওলো মালদিনি।

শুরুতেই এগিয়ে গিয়ে আরো আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে লিভারপুল। অন্যদিকে পাল্টা আক্রমণে টটেনহ্যামও পরীক্ষা নেয় অলরেডদের। তবে প্রথমার্ধে কেউ আর গোলের দেখা পায়নি।

বিরতির পর সমতায় ফিরতে মরিয়া টটেনহ্যাম প্রাণপণ চেষ্টা চালায়। তবে তাতে সফল হয়নি তারা। উল্টো ৮৭তম মিনিটে নিচু শটে হুগোলরিসকে পরাস্ত করে লিভারপুলের জয় নিশ্চিত করেন অরিগি।

এর আগে দুবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল খেলে একবারও জিততে পারেননি ক্লপ। সবমিলিয়ে ছয়টি ফাইনালে হারার পর লাকি সেভেনে এসে শিরোপার মুখ দেখলেন এই জার্মান কোচ। শনিবার রাতে শেষ বাঁশি বাজার পর তাই কোচিং স্টাফদের সঙ্গে তার বাঁধভাঙা উল্লাস ছিল চোখে পড়ার মতো।

FacebookTwitterInstagramPinterestLinkedInGoogle+YoutubeRedditDribbbleBehanceGithubCodePenEmail