চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

গার্মেন্টস পরিদর্শনে ১২ রাষ্ট্রদূত, জিএসপি স্থগিত রাজনৈতিক নয়

বাংলাদেশের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশে জিএসপি সুবিধা স্থগিত রাখার পেছনে রাজনৈতিক কোনো কারণ নেই বলে দাবি করেছেন মার্কিন রাষ্টদূত। তবে তিনিসহ ১২ জন রাষ্ট্রদূত কয়েকটি গার্মেন্টস কারখানা পরিদর্শন করে শ্রমিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতিকে সন্তোষজনক বলেছেন।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র এবং ১১টি ইউরোপিয়ান ক্রেতা দেশের রাষ্ট্রদূতেরা মঙ্গলবার কারখানা পরিদর্শন করেন। দিনভর তারা গাজীপুরের উতাহ ও ইপিলিয়ন গ্রুপের কারখানা ঘুরে দেখেন। সেসময় তারা কর্মকর্তা ও শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন। খতিয়ে দেখেন কারখানা, অগ্নি, বিদ্যুত ও ভবন নিরাপত্তাসহ নানা দিক।

পরে ব্রিফিংএ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়াদুঁ বলেন, বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প এতোটা উন্নত হয়েছে তা তাদের জানা ছিলো না।

বিজ্ঞাপন

পিয়েরে মায়াদুঁ বলেন, দুটি কারখানা চমৎকার। এগুলো শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্বের অন্যান্য পোষাক রপ্তানিকারক দেশের জন্য আদর্শ হতে পারে। নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ যে কাজ করছে এটি তার প্রমাণ। আশা করি আমাদের ক্রেতারা এমন কারখানায় কাজ করালেই দুর্ঘটনা ঘটার কোন কারণ নেই।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্সিয়া বার্নিকাটের কাছে প্রশ্ন ছিলো, গার্মেন্টস কারখানা পরিদর্শনের পর তিনি মনে করেন কিনা যে বাংলাদেশের জিএসপি ফিরিয়ে দেয়া উচিত। জবাবে বার্নিকাট বলেন, দেখুন আমরা ১৬ টি শর্ত পূরনের কথা বলেছি। এখানে কোন রাজনৈতিক কারণ নেই।

রানা প্লাজা ধ্বসের কারণে আমরা শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলাম বলে জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত। বাংলাদেশের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে মার্সিয়া বার্নিকাট বলেন, আমরা আশা করছি দ্রুতই বাংলাদেশ সবগুলো শর্ত পূরণ করে জিএসপি ফিরে পাবে।

বিজিএমইএর প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, বিদেশীরা বাংলাদেশের কারখানা না দেখায় নেতিবাচক প্রচারণায় কান দেন। এজন্য নিয়মিত কারখানা পরিদর্শনের উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছে বিজিএমইএ।