চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ক্রিকইনফোর সেরাদের তালিকায় মুশফিক-লিটন-মাশরাফী

আইসিসির ওয়ানডে বর্ষসেরা একাদশে ঠাই পেয়েছেন পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। টাইগারদের আরও তিন ক্রিকেটারের সামনে সুযোগ থাকছে ক্রিকইনফোর ওয়ানডেতে সেরা ব্যাটিং-বোলিং পারফরম্যান্সের পুরস্কার জিতে নেয়ার।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশের যে তিনজনের পারফরম্যান্স তুলে ধরা হয়েছে ক্রিকইনফোর বিচারকদের সামনে, তাতে আছেন লিটন দাস, মুশফিকুর রহিম ও মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা।

লিটন ও মুশফিক জায়গা পেয়েছেন ওয়ানডেতে সেরা পারফর্মারের তালিকায়। দুজনেই ঝলক দেখিয়েছেন এশিয়া কাপে। গত আসরের শুরুর ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম দুই ওভারে তিন রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সেই অবস্থায় একাই লড়াই চালিয়ে যান মুশফিকুর রহিম। মোহাম্মদ মিঠুনকে নিয়ে ১৩৪ রান পর্যন্ত আনার পর আবারও বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। ১৪২ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে দুইশর নিচে অলআউট হওয়ার শঙ্কা জাগে।

বিজ্ঞাপন

সেখান থেকে লড়াইটা চালিয়ে যান মুশফিক। শেষ উইকেটে এক হাতে ব্যাট করতে নামা তামিম ইকবালকে নিয়ে ১৬ বলে ৩২ রানের জুটি গড়ে টাইগারদের এনে দেন লড়াই করার পুঁজি। পথে ১৪৪ রান করেছেন মুশি। পাঁজরে ব্যথা নিয়েও খেলেছেন, আউট হয়েছেন শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে। ক্রিকইনফোর চোখে ২০১৮ সালের অন্যতম সেরা ও সাহসী ইনিংস সেটি।

এশিয়া কাপেরই আরেকটি পারফরম্যান্স ঠাই পেয়েছে ক্রিকইনফোর সেরা পারফরম্যান্সের তালিকায়। ভারতের বিপক্ষে ফাইনালে লিটন দাসের ১২১ রানের ইনিংসটি। ক্রিকইনফোর চোখে লিটনের যে পারফরম্যান্সটি বেশি চোখে পড়েছে তা হল জাসপ্রীত বুমরাহকে বেরিয়ে এসে শট খেলা।

বিশ্বের বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যানকে যেভাবে নাচিয়ে ছাড়েন বুমরাহ, সেখানে উইকেট থেকে বেরিয়ে এসে ভারতের এই পেসারকে বাউন্ডারির ওপারে আছরে ফেলার মতো দুঃসাহস দেখিয়েছেন লিটন। কেবল বুমরাহকেই নয়, যুযবেন্দ্র চাহালের মতো স্পিনারকে এক ওভারে দুবার ছয় মেরে নাকাল করে ছাড়েন টাইগারদের উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান।

সেই ম্যাচে ২২৩ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। যেখানে লিটনের একারই অবদান ১২১! বাকিরা মিলে করতে পেরেছেন ১২৯ বলে মাত্র ৬৩ রান। যতক্ষণ উইকেটে ছিলেন লিটন, ততক্ষণই রান উঠেছে। বাউন্ডারি এসেছে প্রায় প্রতি ওভারেই।

আর প্রভিডেন্সে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩৭ রানে ৪ উইকেট নিয়ে বোলিংয়ে সেরা পারফরম্যান্সের তালিকায় জায়গা পেয়েছেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। ক্যারিবীয় সফরে দুই টেস্ট হেরে হোয়াইটওয়াশের পর ওয়ানডে সিরিজে শুরুতে বাংলাদেশকে জ্বালানি দিয়েছিল টাইগারদের ওয়ানডে অধিনায়কের সেই পারফরম্যান্সটি। সাকিব-তামিমের এক জুটির কল্যাণে ২৭৯ রানের সংগ্রহ পাওয়ার পর এভিন লুইস, জেসন হোল্ডার, আন্দ্রে রাসেল ও অ্যাশলে নার্সকে ফিরিয়ে ক্যারিবীয়দের ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন ম্যাশ। পরে সিরিজটি ২-১এ জিতে নেয় টাইগাররা।