চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কোহলির কীর্তির দিনে আলো কাড়লেন টেলর-ল্যাথাম

দুইশতম মাইলফলকের ম্যাচ। তাতে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করে দারুণ অর্জনে পা রাখলেন কোহলি। দলকে এনে দিলেন লড়াইয়ের পুঁজি। কিন্তু বোলারদের ব্যর্থতা আর টেলর-ল্যাথামের অতিমানব হয়ে ওঠার দিনে জয়ে মাঠ ছাড়া হল না ভারতীয় অধিনায়কের।

বিজ্ঞাপন

রোববার মুম্বাইয়ে শুরুতে ব্যাট করে বিরাট কোহলির শতকে নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেটে ২৮০ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় ভারত। জবাবে এক ওভার আর ৬ উইকেট হাতে রেখেই জয়ে নোঙর ফেলে নিউজিল্যান্ড।

ভারতের মাটিতে আগের পাঁচটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজে হারা কিউরা শুরু থেকেই প্রভাব বিস্তার করেছে। ২৯ রানেই নেই স্বাগতিকদের দুই উদ্বোধনী রোহিত (২০) ও ধাওয়ান (৯)। দ্রুত তাদের অনুসরণ করেন যাদব (১২)।

বিজ্ঞাপন

সেখান থেকে ইনিংসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার দিনেশ কার্তিককে (৩৭) নিয়ে শুরু কোহলির প্রতিরোধ। পরে ধোনি ২৫, পান্ডিয়া ১৬ ও ভুবনেশ্বর ২৬ রানের অবদান রাখলেও চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহের কৃতিত্বটা কোহলিরই। ১২৫ বলে ১২১ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে ম্যাচের লাগাম নিতে চেষ্টা করেছেন। যাতে ৯ চারে সঙ্গে ২টি ছয়ের মার।

শতকটি দিয়েই ওয়ানডে ইতিহাসে সেঞ্চুরি সংখ্যায় এককভাবে দুইয়ে উঠে গেছেন কোহলি। ওয়ানডেতে এটি তার ৩১তম সেঞ্চুরি। রিকি পন্টিংকে (৩০টি) ছাড়িয়ে যেয়ে কোহলির সামনে এখন কেবল শচীন টেন্ডুলকার ৪৯টি শতক নিয়ে।

দারুণ অর্জনের দিনে পরে অবশ্য কোহলির থেকে আলো কেড়েছেন দুই নিউজিল্যান্ড তারকা। শুরুর ৮০ রানের মধ্যেই গাপটিল ৩২, মুনরো ২৮ ও উইলিয়ামসনকে (৬) হারানো অতিথিরা রস টেলর আর টম ল্যাথামের দৃঢ়তায় ঘুরে দাঁড়ায়।

ল্যাথাম ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়া পর্যন্ত ১০৩ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৮ চার ও ২ ছয়ে ১০২ বলের ইনিংস তার। ২০০ রানের জুটি সঙ্গী টেলরের অবশ্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া হয়েছে। ৯৫ রানে ফিরেছেন টেলর। ৮ চারে তার ১০০ বলের ইনিংসটি ততক্ষণে ভারতের সর্বনাশটা করে ফেলেছে।