চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘কে কী বলল ওটা দেখার দরকার নেই’

টন্টন থেকে: প্রত্যাশার ছাপ ফেলতে না পারলেই ক্রিকেটারদের নিয়ে ওঠে সমালোচনার ঝড়। প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে ইংল্যান্ড আসা মোস্তাফিজুর রহমানও বাদ যাননি নেতিবাচক কথার তীর থেকে। শুরুর দিকে পারফরম্যান্স খারাপ হওয়ায় প্রশ্ন ওঠে তাহলে কি ফুরিয়ে যাচ্ছেন ফিজ!

অনেক টাইগার সমর্থকই এমন শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। বিশ্লেষকরাও বাঁকা কথা বলেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক উপচে পড়েছে নানা স্ট্যাটাস, হতাশা আর দীর্ঘশ্বাসে! সোমবার সমারসেট কাউন্টি ক্লাব মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারানোর পর মিক্সড জোনে আসা মোস্তাফিজের কাছে জানতে চাওয়া হল এসব কথা কীভাবে নেন। দুই বাক্যে কাটার মাস্টার দিয়ে দিলেন উত্তরটা, ‘কে কী বলল ওটা দেখার দরকার নেই। আমি নিজে ঠিক থাকলেই তো হয়।’

বিজ্ঞাপন

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম তিন ম্যাচে খরুচে মোস্তাফিজ সোমবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শুরুর ৫ ওভারেও ছিলেন বেশ খরুচে। ৪১ রান দিয়ে উইকেটশূন্য তখন! পরের দুই স্পেলে চার ওভারে দিয়েছেন মাত্র ১৮ রানে, নিয়েছেন ৩ উইকেট।

বিজ্ঞাপন

একটা সময় মনে হচ্ছিল ক্যারিবীয়রা সাড়ে তিনশ ছুঁয়ে ফেলবে। ৩২১-এ তাদের থামতে হয়েছে মোস্তাফিজের বোলিংয়ের কারণেই। বিশেষ করে ইনিংসের ৪০তম ওভারে এসে শিমরন হেটমায়ার ও আন্দ্রে রাসেলকে সাজঘরে পাঠিয়ে প্রতিপক্ষকে কক্ষচ্যুত করেন বাঁহাতি পেসার। পরের ওভারে ফেরান উইন্ডিজের সর্বোচ্চ স্কোরার শাই হোপকে।

২৫ বলে ফিফটি করা হেটমায়ারকে ওই সময় আউট করা না গেলে হয়ত ধরাছোঁয়ার বাইরেই চলে যেত লক্ষ্যটা! বাংলাদেশের কাছে আরেক ভয়ের নাম রাসেল, তাকে রানের খাতাই খুলতে দেননি ফিজ।

আইপিএলে মোস্তাফিজের ইয়র্কারে রাসেলের বোল্ড হওয়া ও হুমড়ি খেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ার দৃশ্যটি অনেকেরই মনে আছে। তারপর থেকে টাইগার পেসারকে সমীহই করেন ক্যারিবীয়ান অলরাউন্ডার।

এদিন রাসেলের দুর্বলতাই কাজে লাগিয়েছেন মোস্তাফিজ, ‘ওই সময় তো সবাইকে (বাংলাদেশের বোলারদের) ঘাবড়ানো শুরু করেছিল (উইন্ডিজ ব্যাটসম্যানরা)। আমাকে ওই সময় বোলিং দিয়েছে, আমি চেষ্টা করেছি। রাসেলকে আগেও অনেকবার আউট করেছি। ও আমাকে দেখলে একটু ভীরু হয়ে যায়। আমি সেটাই কাজে লাগিয়েছি।’