চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কুমিল্লা ইপিজেডে স্থাপিত হচ্ছে বর্জ্য পরিশোধণাগার

কুমিল্লা ইপিজেডে প্রতিদিন ১৫ হাজার ঘন মিটার তরল বর্জ্য পরিশোধণ ক্ষমতার সিইটিপি স্থাপন করা হয়েছে। সোমবার প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সিইটিপি চালুর পর কুমিল্লা ইপিজেডের কারখানাগুলো আলাদা ভাবে আর তরল বর্জ্য পরিশোধনের প্রয়োজন হবে না। পরিবেশ দূষণ কমাতে কারখানার রাসায়নিক ও জৈবিক তরল বর্জ্য পরিশোধনে ব্যবহার করা হয় ইটিপি বা বর্জ্য পরিশোধনাগার।

বিজ্ঞাপন

যে কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠানের একার পক্ষে এ প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়ন করা ব্যয়বহুল হওয়ায় ক্রমান্বয়ে দেশের বিভিন্ন ইপিজেডে তৈরি করা হয়েছে সিইটিপি বা কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার।

বেপজার জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্হাপক নাজমা বিনতে আলমগীর জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিদিন ১৫ হাজার কিউবিক মিটার পানি পরিশোধণ করা হবে। কারখানার সকল প্রকার জৈব ও তরল বর্জ্য এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শোধণ করা হবে। যাতে পরিবেশ দূষণের হাত থেকে রক্ষা পাবে।

বিজ্ঞাপন

কম সময় ও কম খরচে বেশি তরল বর্জ্য পরিশোধণে কুমিল্লা ইপিজেডেও চালু হচ্ছে সিইটিপি। এ প্রক্রিয়ার আওতায় কুমিল্লা ইপিজেডের সব কারখানার তরল বর্জ্য কেন্দ্রীয়ভাবে একটি জায়গায় পরিশোধন করা হবে।

সাড়ে ৩৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে সিগমা ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড। কুমিল্লা ইপিজেডের প্রতিটি কারখানাকে বর্জ্য পরিশোধনের জন্য নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ করতে হবে।

বেপজার মহাব্যবস্থাপক আব্দুস সোবাহান বলেন, এখানে ৩৭টি কারখানা রয়েছে। যারা নিয়মিত আমদানী রপ্তানী ও উৎপাদন করছে। এই প্রকল্পের কারণে কারখানা গুলোর পরিশোধন ব্যয় অর্ধেকে নেমে আশায় তিনি আশা করছেন সকল কারখানায় এ ব্যবস্থার আওতায় আসবে।

কুমিল্লা ইপিজেডের সিইটিপিতে রাসায়নিক এবং জৈবিক উভয় পদ্ধতিতে বর্জ্য পরিশোধন করা হবে।