চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

এবারের বাজেটে বড় ব্যয়ের দর্শন

স্বাধীন বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদের প্রথম বাজেটের আকার ছিলো ৭’শ ৮৬ কোটি টাকা। ৩টি বাজেট দেওয়া জিয়াউর রহমানের শেষ বাজেটও ছিলো আড়াই হাজার কোটি টাকার মধ্যে। ৪ হাজার ১’শ কোটি দিয়ে শুরু করে সবচে বেশি বার বাজেট দেওয়া অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমানের শেষ বাজেট ছিলো ৭০ হাজার কোটির।

বিজ্ঞাপন

মাঝে আওয়ামী লীগ সরকারের ৯৬-২০০১ মেয়াদে প্রয়াত অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া বাজেটের আকার বাড়ানোর ব্যাপারে অতোটা উদার ছিলেন না। তত্ত্ববধায়ক সরকারের ৩ বছরের শাসনামলে ড. এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলামের বাজেট ছিলো ১ লাখ কোটির মধ্যে।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২য় মেয়াদে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়া আবুল মাল আবদুল মুহিত অবশ্য সাহস দেখিয়েছেন বড় বাজেট দেওয়ার। দিন বদলের স্বপ্ন দেখানোর দর্শন নিয়ে ক্ষমতায় আসা দলটি কতোটুকু সফল হলো স্বপ্নপূরনে? 

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, এই বাজেটে অবশ্যই একটি বড় ব্যয়ের সাহস দেখানো হবে। এর উদ্দেশ্য নিন্ম আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশের কাতারে যাওয়ার সিড়িতে পা রাখা। তাই ৩ লাখ কোটির টাকা হতে পারে একটি ম্যাজিক ফিগার।

বিজ্ঞাপন

কল্যাণমূলক ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রের যে স্বপ্ন ছিলো বঙ্গবন্ধুর, সেই অধরা স্বপ্ন কি খুব বেশি দূরে প্রশ্ন ছিলো অর্থমন্ত্রীর কাছে।

উত্তরে পিছিয়ে পড়া ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ নজর থাকার কথা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ধরতে হবে চা বাগানগুলোতে তারা ছড়ার পানিতে খায় এবং গোসল করে সব কিছুই করে। সেখানে কোনো স্যানিটেশন নেই।

সিটমহল বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সিটমহল আমরা অনেক দেরিতে ফেরত পেয়েছি এখন তাদের জন্য কিছু করতে হবে। বর্তমান বাংলাদেশ যেমন আছে তাদেরও সে রকম করতে হবে। সুতারাং তাদের জন্য একটি বিশেষ কিছু করা আমার জন্য কর্তব্য।

৪ জুন বৃহস্পতিবার বিকালে দেশের ৪৪তম বাজেট পেশের প্রস্তুতি প্রায় শেষ করেছেন মন্ত্রিসভার প্রবীনতম সদস্য। ২০২১ সালের আগেই মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার লক্ষ্য পূরনের দিক নির্দেশনা থাকবে ঐ বাজেটে।