চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘একুশে বইমেলা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রভাব রাখছে’

দেখতে দেখতে শেষ হয়ে গেল প্রাণের অমর একুশে বইমেলা-২০১৭। অতীতের ত্রুটি-বিচ্যুতি দূরে ফেলে এবারের বইমেলাকে সাজানো হয়েছিল নতুন আঙ্গিকে। বলা হচ্ছে, ২০১৭ সালের বইমেলা ছিলো স্মরণকালের সবচেয়ে বড় বইমেলা। পাঠক সমাগম, নতুন বইয়ের সংখ্যা এবং বিক্রয়; সবকিছুই অতীত রেকর্ডকে ছাপিয়ে গেছে বহুগুণে।

বিজ্ঞাপন

এবারের বইমেলায় ৬৫ কোটি ৪০ লাখ টাকার বই বিক্রি হয়েছে যা গত বছরের তুলনায় ২৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা বেশি। বইমেলায় লোক সমাগম হয়েছিল ১০ লাখের অধিক। অন্য বছরের চেয়ে মেলায় এবার মান সম্পন্ন বই বেশি এসেছিল। একুশে বইমেলা এবার আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও হয়েছে ব্যাপক সমাদৃত। বইমেলার সার্বিক বিষয় নিয়ে চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে কথা বলছেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান।
চ্যানেল আই অনলাইন: শুভেচ্ছা নিবেন। এবারের বইমেলা ছিলো বিগত দিনের চেয়ে অনেক সমৃদ্ধ। তেমন কোন অভিযোগ-অনুযোগ শোনা যায়নি। পুরো আয়োজন নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী?
মহাপরিচালক: অমর একুশে বইমেলার তাৎপর্য অনেক। বিগত বছরের চেয়ে এবারের আয়োজন আসলেই সবদিক থেকে ভালো ছিলো। আমি অনেকটা সন্তুষ্ট। তবে আরো অনেক দিকে উন্নতির সুযোগ রয়েছে। ভবিষ্যতে আরো বড় পরিসরে এবং সমৃদ্ধ আয়োজন উপহার দিতে পারবো এমনটাই প্রত্যাশা করছি।
চ্যানেল আই অনলাইন: এবারের মেলা নিয়ে আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো সংবাদ কী ছিলো?
মহাপরিচালক: বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বইমেলা নিয়ে প্রশংসা এবং আমন্ত্রণ ছিলো সবচেয়ে ভালো লাগার দিক। আমি কখনো ভাবিনি যে সৌদি আরব তাদের বইমেলায় বাংলা একাডেমিকে আমন্ত্রণ জানাবে। সৌদি আরবের সংস্কৃতি মন্ত্রী আমাদের রাষ্ট্রদূতকে আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেছেন, “বাংলা একাডেমির বইমেলা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এই মেলার বৈশিষ্ট্যটা এতোটাই বাঙালিত্বে পরিপূর্ণ যে, আমরা নিজেরাও উদ্বুদ্ধ হয়েছি। বাংলা সংস্কৃতি আসলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং উল্লেখযোগ্য সংস্কৃতি। সেই সংস্কৃতি প্রসারে যদি তারা আমাদের বইমেলায় আসতে চায় তাহলে আমরা সব রকম সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত”। অনুরূপভাবে মরক্কোর রাষ্ট্রদূত বাংলা একাডেমির তথ্য পাঠিয়ে দিতে বলেছেন। মরক্কোর সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, বুদ্ধিজীবী এবং সাহিত্যিকরা বইমেলার প্রশংসা করেন। মরক্কোতে বাংলা সংস্কৃতির বিকাশ হতে পারে। এছাড়া গ্রিস, সুইডেন, মালয়েশিয়া সহ কয়েকটি দেশ আমাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
চ্যানেল আই অনলাইন: তাহলে এটি বলা যায় যে, আপনার হাত ধরে বইমেলা ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক রূপ পেতে যাচ্ছে?
মহাপরিচালক: কিছুটা আন্তর্জাতিক রূপ পেয়েছে। কিন্তু প্রথম দিকে অনেকে বুঝতে পারেনি। এখন বুঝতে পারছে যে এক মাস ধরে এতো বড় একটি আয়োজন চালানো খুব কঠিন ব্যাপার। এটি যে এতো সুন্দরভাবে হচ্ছে, তা গোটা বিশ্ববাসীর কাছে আকর্ষণীয় ব্যাপার। কাজেই এই মেলার প্রভাব বিশ্বব্যাপী পড়তে শুরু করেছে।
চ্যানেল আই অনলাইন: এবারের মেলায় কি বিদেশি কোন স্টল ছিল?
মহাপরিচালক: আমাদের লেখকরা ঠিক করে দিয়েছেন, একুশের বইমেলা হবে শুধু বাংলাদেশি লেখকদের এবং বাংলাদেশি স্টলগুলো থাকবে। এটি মূলত বাংলা বই ও বাংলা ভাষার প্রচার ও প্রসারের জন্য আয়োজন। তাই একুশে বইমেলায় সাধারণত কোন বিদেশি স্টল থাকে না।
চ্যানেল আই অনলাইন: ভবিষ্যতে আলাদা করে কোন আন্তর্জাতিক বইমেলার পরিকল্পনা বাংলা একাডেমির আছে কিনা?
মহাপরিচালক: সেটি আমরা আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলনে অন্তর্ভুক্ত করেছি। সে দিক থেকে কিন্তু এটি আন্তর্জাতিক হয়ে গেলো। কারণ ১-৪ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলনে যোগ দিতে রাশিয়া, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশ থেকে সাহিত্যিকরা আসেন, তাদের কেউ কেউ নোবেল পুরস্কার পাওয়ার মতো সাহিত্যিক। আন্তর্জাতিক সম্মেলন দুটি ভাগে বিভক্ত করেছি। একটি ছিলো ইংরেজি ভাষায়, যেখানে বিভিন্ন দেশের কবি-সাহিত্যিকরা অংশ নেন। আর একটি হলো আন্তর্জাতিক বাংলা সাহিত্য সম্মেলন। সেখানে কলকাতা, ঢাকা, ত্রিপুরা অঞ্চলের সাহিত্যকরা অংশ গ্রহণ করেন। এতে করেই বইমেলা একটি আন্তর্জাতিক রূপ পেয়েছে।
চ্যানেল আই অনলাইন: এরপরও তো চাইলে বিদেশি কোন স্টল রাখা যায়?
মহাপরিচালক: এখন পর্যন্ত সেটা ভাবা হয়নি। আমাদের সৈয়দ হক ভাই বলেছিলেন, এই মেলাটি শুধুমাত্র বাংলাদেশি লেখকদের জন্য এবং বাংলা সাহিত্যের জন্য। জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র থেকে যে বইমেলা হয় সেখানে বাইরের লেখকদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। তবে আমরা ইউনেস্কোকে আমন্ত্রণ জানাতে পারি। তাদের স্টল থাকলো। চীনের লেখক সমিতি আমাদের সাথে দেখা করে গেছে। তাদেরকেও আমরা হয়তো একটি স্টল দিতে পারি। সেগুলো বাণিজ্যিক হবে না। বাংলা্ একাডেমির ভিতর যেসব জায়গা দেওয়া হয়েছে সেগুলো প্রকৃতপক্ষে বিক্রেতাদের জন্য না। যেমন এশিয়াটিক সোসাইটি, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্র উল্লেখযোগ্য কাজ করে। আগামীতে হয়তো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের জন্য একটি স্টল দিতে পারি। আর দৃষ্টি জয়ীদের জন্য একটি স্টল বরাদ্দ দিতে পারি।
চ্যানেল আই অনলাইন: একসময় হুমায়ুন আহমেদ, হুমায়ুন আজাদ স্যারেরা যেভাবে বইমেলাকে আলোকিত করে রাখতেন সেভাবে বর্তমানে কোন লেখক যারা নির্দিষ্টভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারছেন বলে মনে হয়?
মহাপরিচালক: অনেকে পারছেন। যেমন মুহম্মদ জাফর ইকবাল। আরও আছেন। যেমন ড. গোলাম মুর্শিদ। তার কিছু সিলেক্টিভ পাঠক আছেন। সৈয়দ শামসুল হকের বই যথেষ্ট চাহিদা আছে। সেলিনা হোসেনের বই প্রচার পায়। এশিয়াটিক সোসাইটি থেকে আরকিওলোজী থেকে শুরু করে সমাজবিজ্ঞানসহ নানা অনেক বই প্রচারিত হচ্ছে। থেকে প্রচুর বই প্রকাশিত হয়। ইউপিএল থেকে ইংরেজি ভাষায় অনেক বই প্রকাশিত হয়। আমি যেটা দেখছি ধীরে ধীরে এই মেলাটা আরও সংস্কৃতির গভীর ভেতরে প্রবেশ করছে এবং তার প্রভাব পড়ছে। আমরা যখন নৈরস্যের ভেতরে ঢুকে যাই তখন এই বিষয়টি আমাদের আশা যোগায়।
চ্যানেল আই অনলাইন: অনেকে বলছেন মেলায় বহু পাঠক সমাগম হয়েছে। কিন্তু বই কিনছে না সেভাবে, বইয়ের ক্রেতা কীভাবে বাড়ানো যায়?

বিজ্ঞাপন

মহাপরিচালক: এটা আংশিক সত্য। আমি কলিকাতার বইমেলায় দেখেছি, দর্শক ফেরার সময় খালি হাতে ফিরছে। কলিকাতার বইমেলায় মাছ বিক্রি ছাড়া সরষে তেল থেকে শুরু করে সবকিছুই বিক্রি হয়। আমাদের বইমেলায় তেমনটা নেই। আমাদের পাঠকরা অনেক বই কিনেন। প্রায় প্রত্যেকের হাতে বই দেখা যাবে। আমাদের তো ৫০-৬০ কোটি টাকার বই বিক্রি হয়। আর কলিকাতা বইমেলায় ১৬কোটি টাকার বই বিক্রি হয়। সে তুলনায় আমাদের প্রচুর বই বিক্রি হচ্ছে। তবে একটা সতর্ক বার্তা থাকা দরকার। আমরা নতুন পাঠক পাচ্ছি, যারা মান যাচাই করে বই কিনতে পারে না। সামনে যা পাচ্ছে কিনে নিচ্ছেন। আমাদের গুণগত মানের বই বাছাই করা প্রয়োজন। এই কাজটি বাংলা একাডেমি সরাসরি করলে সমস্যা। প্রকাশনাগুলো একেকজন একেকভাবে মন খারাপ করবে। সামনে আমরা গুণগত বইয়ের মান যাচাই করার পদক্ষেপ গ্রহণ করবো। আমরা একটা ঝামেলায় পড়ে যাই। স্টলের জন্য প্রচুর অনুরোধ, তদবির আসে। আমাদের প্রথম ৭দিন পর্যন্ত অস্থির থাকতে হয়। এই জায়গায় আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। বইমেলায় কিছু জিনিস বর্জন এবং কিছু জিনিস গ্রহণ করতে হবে।
চ্যানেল আই অনলাইন: সেগুলো কী কী?
মহাপরিচালক: অনেকে বইমেলায় বই প্রকাশ করার জন্য ঘুষ লেনদেন করে, তদবির করে। শুনেছি, ২০-৩০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে থাকে। যারা বিদেশ থেকে বইমেলায় আসেন তাদের অনেকের সম্পর্ক্ আমরা শুনেছি, তারা লাখ টাকা দিয়ে হলেও বই প্রকাশ করে থাকে। কিছু প্রকাশক এসব কাজ করে থাকে শুনেছি। এটা তথাকথিত ব্যবসায়ীদের কাজ। এই জায়গায় আমাদের কঠোর হতে হবে। আসলে নানান স্পর্শকাতর বিষয় থাকে, সে জন্য শক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
চ্যানেল আই অনলাইন: পাঠক এবং লেখকদের মধ্যে মধ্যকার আন্ত:সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায় কিনা?
মহাপরিচালক: সেটা কিন্তু আছে। বিভিন্ন স্টলে লেখকরা এসে পাঠকদের সাথে কথা বলেন, অটোগ্রাফ দেন। যেমন জাফর ইকবাল নিয়মিত আসেন। তাম্রলিপিতে বসেন। অন্বেষায় বসেন কেউ কেউ। মত বিনিময় করেন।
চ্যানেল আই অনলাইন: এটি মূলত ছড়িয়েছিটিয়ে হচ্ছে। সম্মিলিত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে….
মহাপরিচালক: হ্যাঁ, তা ঠিক। অনেক লোক সমাগম হবে এবং লেখকরা পাঠকদের সাথে সরাসরি কথা বলবেন, এমন কোন আয়োজন করতে পারলে ভালো হয়।
চ্যানেল আই অনলাইন: নবীন এবং প্রবীণ লেখকদের মধ্যেও ভালো সম্পর্ক উন্নয়নে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে…
মহাপরিচালক: এধরনের একটি বিষয় আমরা আগামী বছর হয়তো করতে পারি।
চ্যানেল আই অনলাইন: তরুণদের অনেক বই প্রকাশিত হয়েছে এবার। অনেক ছাত্রনেতার বইও প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টিকে কিভাবে দেখেন?
মহাপরিচালক: হ্যাঁ, তরুণরা নিজ উদ্যোগে অনেক বই প্রকাশ করছে। একদিক থেকে এটি ইতিবাচক। রাজনীতি-সাহিত্যে আমাদের ছাত্ররা এগিয়ে আসছে। রাজনীতিতে ক্ষমতার ম্যাসেল দেখানোর পরিবর্তে এখন বই লেখালেখির চর্চায় চলছে, লেখালেখির অভ্যস হচ্ছেে। এতে যদি একটু অতিরিক্ত করেও থাকে তবুও এটি দোষণীয় নয়।
চ্যানেল আই অনলাইন: তরুণ লেখকদের অনুপ্রাণিত করার জন্য বাংলা একাডেমির কোন পদক্ষেপ কি আছে?
মহাপরিচালক: সরকারের অর্থ সহায়তা নিয়ে একটা তরুণ লেখক প্রকল্প করা হয়েছিল। সেই প্রকল্প শেষ হয়ে গেলে আর চালু রাখা যায়নি। তরুণ লেখকদের বই প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু দু:খজনক ব্যপার হলো, তা আর বিক্রি হয় না। গোড়াউনেই থেকে যায়। একারণে তরুণ লেখকদের বলবো, এতো অস্থির হয়ে লেখালেখির দরকার নেই। আগে পড়ালেখাটা ভালো করে করতে হবে।
চ্যানেল আই অনলা্ইন: গবেষণা ব্যতিত কোন কিছুই এগিয়ে যেতে পারে না। গবেষণার ক্ষেত্র যতো সমৃদ্ধ হবে, সবকিছু ততোই উন্নত হবে। এবারের বইমেলায় গবেষণামূলক বইয়ের সংখ্যা কেমন ছিলো?
মহাপরিচালক: মোটামুটি হয়েছে।তবে একটা বিষয় খুব অভাববোধ করি। মুহম্মদ আব্দুল হাই সাহেব ষাটের দশকে একটি সাহিত্য পত্রিকা বের করতেন। সেটা ছিলো গোটা উপমহাদেশেই খুব উল্লেখ্যোগ্য পত্রিকা। কিন্তু সেটি এখন আর নিয়মিত বের হয় না। আহমদ কবির সাহেবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।তিনি আর কিছু করেননি। যদি চালু থাকতো তাহলে গবেষণার মানটি আমরা নির্ধারণ করতে পারতাম।
চ্যানেল আই অনলাইন: সামগ্রিকভাবে বইমেলা থেকে বাঙালি জাতির অর্জন কি?
মহাপরিচালক: বইমেলার সবচেয়ে বড় অর্জন হলো, এটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। একুশে বইমেলাকে কেন্দ্র করে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রভাব এখন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে। তা না হলে সৌদি আরব কেন বাংলা একাডেমিকে তাদের দেশের বইমেলায় আমন্ত্রণ জানাবে? তিউনিসিয়া থেকে, গ্রিস থেকে মালয়েশিয়া থেকে সুইডেন থেকে এসেছে একই রকম আমন্ত্রণ। এতো বিশাল আয়োজন। বিশ্বে নেই বললেই চলে। অনেক বিদেশিরা আমাদের বলেন, এতো বড় আয়োজন তোমরা ম্যানেজ করো কিভাবে? তোমরা তো বলো ম্যানেজমেন্টের দক্ষতা কম? কিন্তু আমরা বলি, সংস্কতি এবং বাংলা ভাষাকে এই অঞ্চলের মানুষ খুবই যত্নের সঙ্গে, হৃদয়ের গভীরে স্থান দিয়ে রেখেছে। বাঃংলাদেশের মানুষ তাদের সাহিত্য-সংস্কৃতি-মাতৃভাষা সম্পর্কে গভীরভাবে আশান্বিত। তারা এটার জন্য গর্ব করে এবং তারা এটি ধরে রাখে। শুধু ধরে রাখা নয়, এর জন্য তারা প্রাণও দিয়েছে।