চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

এই অনুভূতি মুখে বলা যায় না: রাজ্জাক

‘প্রত্যেকটা খেলোয়াড়ের জন্য জাতীয় দলে আসাটা গুরুত্বপূর্ণ ও বড় ব্যাপার। এর অনুভূতি মুখে বলা যায় না। ভিতরে ভিতরে অনুভব করা যায়।’ -চার বছর পর জাতীয় দলে ফেরার অনুভূতি এভাবেই প্রকাশ করলেন আব্দুর রাজ্জাক। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চার উইকেট নিয়ে দলের সেরা পারফর্মার হয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন অভিজ্ঞ বাঁহাতি স্পিনার।

চার বছর আগে রেখে যাওয়া অনেক সতীর্থই এখন জাতীয় দলে নেই। এসেছে অনেক নতুন মুখ। ড্রেসিংরুমের পরিবেশও পাল্টেছে। ৩৫ বছর বয়সী রাজ্জাকের মতে সবকিছুর পরও আত্মনিবেদনের জায়গাটা আগের মতোই, ‘এখানে আসলে সবাই সিরিয়াস। সবাই যার যার কাজ করে যায়। খুব বেশি পার্থক্য আছে, তা নয়।’

মিরপুর টেস্টের শুরুতে দুপ্রান্ত থেকেই স্পিন আক্রমণ সাজান অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। মিডিয়াসেন্টার প্রান্ত থেকে মিরাজ প্রথম ওভার করার পর অন্যপ্রান্তে দাঁড়ান রাজ্জাক। লম্বা বিরতির পর প্রথম বলটা করার সময় রাজ্জাক অবশ্য খুব একটা চাপ বোধ করেননি।

‘প্রথম বল করতে যাওয়া— আসলে ঘরোয়া পর্যায়ের যেকোনো খেলা, আইপিএল-বিপিএল বা যতো প্রিমিয়ার লিগ আছে সবকিছুর চেয়ে জাতীয় দলকে অনেক উপরে রাখি। কেনো যেনো একটা অন্যরকম অনুভূতি থাকে। প্রত্যেক খেলোয়াড়ের মধ্যে চাপ থাকে। শুরুতে সেটা কিছুটা তো ছিলই, পরে ঠিক হয়ে গেছে।’

মূর্তিকারিগর

‘হার্ট বিট করেছে; তবে আগের মতো নয়। আগের মতো বেশি করেনি। একটা উত্তেজনা তো সব সময়ই কাজ করে, টিম সিলেকশন থেকে শুরু করে খেলা পর্যন্ত। এটা আসলে জীবন ও খেলারই অংশ। আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সঙ্গে ঘরোয়া ক্রিকেটের বড়সড় পার্থক্য থাকে। এখন ভাল লাগছে। অনুভূতিটা ভাল। চেষ্টা করেছি ভাল কিছু করার।’ যোগ করেন রাজ্জাক।

রাজ্জাক যখন জাতীয় দলের নিয়মিত পারফর্মার ছিলেন টেস্টে স্পিন সহায়ক উইকেট কমই পেয়েছেন। মিরপুরে স্পিন উইকেট বানিয়ে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সাফল্য পাওয়ায় ভারসাম্য ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। উইকেট প্রসঙ্গে রাজ্জাক বলেন, ‘এধরনের উইকেটে প্রথম খেললাম। আগে তো নিজেদের শক্তি দেখেশুনে খেলার সুযোগ ছিল না। এখন এটা সামনের দিকেই যাবে। সেটারই ফল এটা।’

FacebookTwitterInstagramPinterestLinkedInGoogle+YoutubeRedditDribbbleBehanceGithubCodePenEmail