চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আল জাজিরা নিয়ে আবার কী হচ্ছে?

সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিশর এই বছরের জুনের দিকে কাতারের সঙ্গে তাদের সব ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। সম্পর্ক পুন:স্থাপনে তাদের দাবিগুলোর একটি ছিল, দোহাভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল আল জাজিরা বন্ধ করা। তবে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি জানিয়েছেন, কাতার তাদের আল জাজিরা টেলিভিশন নেটওয়ার্ক কখনোই বন্ধ করবে না।

বিজ্ঞাপন

সোমবার আমেরিকার সিবিএস চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কাতারের সার্বভৌমত্বে কোনো হস্তক্ষেপ আমরা গ্রহণ করবো না। তাই আল জাজিরাও আমরা বন্ধ করে দিচ্ছি না।

আমেরিকান ব্রডকাস্টার চার্লি রোজকে আল-থানি বলেন, ইরান আমাদের প্রতিবেশি। আমাদের ইরানের সঙ্গে অনেক বিষয়ে আমাদের বিভেদ আছে এবং পররাষ্ট্রনীতিও আছে। এবং সেই সম্পর্কটা যারা আমাদের উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে তাদের থেকে বেশি।

বিজ্ঞাপন

কাতারের আমির আরো বলেন, যখন ওই সব দেশগুলো বা আমাদের ভাইগুলো আমাদের দেশে ওষুধ, খাবার পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে তখন আমাদের কাছে খাবার ও ওষুধ পাঠানোর মাধ্যম ছিল ইরান।

নিষেধাজ্ঞার সত্যিকার কারণ ব্যখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, তারা আমাদের স্বাধীনতা পছন্দ করে না। আমরা এই অঞ্চলের বাকস্বাধীনতা চাই। তারা মনে করে এটা তাদের জন্য একটি হুমকি। আল জাজিরা ৫০,৬০ বা ৭০ বছর থেকে এই অঞ্চলে বাকস্বাধীনতার পুরো ধারণাকে বদলে দিয়েছে। সেকথা একদিন ইতিহাস বলবে।

উপসাগরীয় সংকট সমাধানে নিজেদের কর্মপরিকল্পনার বিষয়ে আমির বলেন, আমাদের সম্মান ও সার্বভৌমত্বের উপরে কিছু নেই। কিন্তু আমরা চাই এই পরিস্থিতির সমাধান হোক। তারা যদি আমার দিকে ১ মিটার হাঁটে আমি তাদের দিকে ১০,০০০ মাইল এগোতে রাজি আছি।

এর আগে সন্ত্রাসবাদে সম্পৃক্ততার অভিযোগ এনে কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিশর। যদিও সেই অভিযোগ বারবারই অস্বীকার করে আসছে দোহা।

এখন সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে বারবারই তারা আল জাজিরা বন্ধের কথা বলছে।