চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘আমি বেঁচে থাকতে পরিচালক-প্রযোজকদের মধ্যে ঝামেলা হতে দেব না’

নব্বই দশকে কলকাতার বাংলা ছবি যখন ধ্বংসের মুখে, তখন তিনি একাই হাল ধরেছিল। লাইফ সাপোর্টে থাকা টলিউডকে তিনি পুনরুজ্জীবিত করেছেন। বলছি, পশ্চিম বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের কথা।

ক্যারিয়ারের পড়ন্ত বিকেলে এসে বুম্বাদা আজও আগলে রেখেছেন কলকাতার বাংলা ছবিকে।

সম্প্রতি পশ্চিমঙ্গের ব্যাকারপুরের মধ্যমগ্রামে নতুন মাল্টিপ্লেক্স ‘আইনক্স’ উদ্বোধন করতে গিয়ে কলকাতার ইন্ডাস্ট্রিকে যে নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসেন তার প্রমাণ দিলেন ওপার বাংলার এই মেগাস্টার। সেখানে প্রসেনজিৎকে ঘিরে সংবাদকর্মীদের প্রশ্ন ছিল ‘ইন্ডাস্ট্রিতে বাড়তে থাকা পরিচালক-প্রযোজক দ্বন্দ্ব নিয়ে’।

এরকম নানা প্রশ্নের উত্তরে প্রসেনজিৎ বলেন, আমি প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি যতদিন বেঁচে আছি, বাংলা সিনেমায় কোনো প্রযোজক-পরিচালকের মধ্যে লড়াই হবে না, এই কথা নিশ্চিত করে বলতে পারি।

প্রসেনজিৎ আরও বলেন, বাংলা ছবিতে গত ১০ বছর ধরে ভালো সময় চলছে। হিন্দির মতো বাংলাতেও কন্টেন্ট প্রধান কাজ হচ্ছে। নইলে ‘রসগোল্লা’-র মতো একেবারে নতুনদের নিয়ে ছবি করার সাহস পেতেন না প্রযোজক ও পরিচালকরা। এটা খুবই ভালো সাইন।

বুম্বাদা এখনও চিরতরুণ

নিজের কাজের উদাহরণ দিয়ে প্রসেনজিৎ বলেন, আমি এখন বছরে হয়তো দুটো ছবি করি। চেষ্টা করি অন্য ধরণের কাজ করার জন্য। ‘নিয়মিত, গতানুগতিক চরিত্রে’ গত ১০ বছরে মানুষ আমাকে এখন আর দেখেই না।

তিনি আরও বলেন, আগামী পূজা উপলক্ষে শিশুদের জন্য ‘কাকাবাবু’ ছবিতে তিনি অভিনয় করছেন।

প্রসঙ্গত, গেল বছর টলিপাড়া ছিল বেশ গরম। আর্টিস্ট ফোরাম ও প্রযোজকদের দ্বন্দে শিকেয় উঠেছিল সিরিয়ালের শুটিং। অভিযোগ ছিল, প্রযোজকরা শিল্পী, কুলশীদের দাবিদাওয়া মানছেন না। আন্দোলনের কথাও উঠেছিল। পরে আর্টিস্ট ফেডারেশনের হস্তক্ষেপে সব ঝামেলার অবসান হয়। সেখানে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন প্রসেনজিৎ।

টলি পাড়ার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে প্রসেনজিৎকে উদ্যোগী হতে দেখা গেছে। টেলিভিশন জগতের সমস্যা মেটানোর জন্যও তিনি সময় বার করেছেন নিজের ব্যস্ত সিডিউল থেকে। এই বছরেও তাকে দর্শক দেখতে পাবেন ‘কাকাবাবুর প্রত্যাবর্তন’ ছবিতে, এটাও জানালেন বাংলা ইন্ডাস্ট্রির সুপারস্টার।

FacebookTwitterInstagramPinterestLinkedInGoogle+YoutubeRedditDribbbleBehanceGithubCodePenEmail