চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আমি ঠিক সময়ে এসেছি: আরিফুল

মাত্র ১৪ বছর ৯ দিন বয়সে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক। এরপর প্রায় এক যুগ চলে গেছে। আরিফুল হক যখন জাতীয় দলের ঠিকানা খুঁজে পেলেন, বয়স তখন ২৫। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজে অভিষিক্ত এই অলরাউন্ডার মনে করেন নিজেকে মেলে ধরার এখনই উপযুক্ত সময়।

বিজ্ঞাপন

‘আমি মনে করি জাতীয় দলে খেলার জন্য ২৫-২৬ উপযুক্ত বয়স। ঘরোয়া ক্রিকেটে কয়েকটা মৌসুম খেলে অনেক কিছু শেখার থাকে। পরিস্থিতিগুলো বোঝা যায়। নতুন এসে বোঝাটা খুব কঠিন। অনেকে পারে, অনেকে আবার পারে না। এজন্য আমি মনে করি সঠিক সময়ে আমি এসেছি। এখন পারফরম্যান্স করাটা আমার হাতে।’

বিজ্ঞাপন

খুলনা টাইটানসের কয়েকটি ম্যাচে জয়ের নায়ক ছিলেন আরিফুল

ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত পারফর্ম করা আরিফুল বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) নিজেকে মেলে ধরে নির্বাচকদের নজর কাড়েন। খুলনা টাইটানসের হয়ে তিন ম্যাচে ফিনিশিং নক এসেছিল তার ব্যাট থেকে। সেই সুবাদে জাতীয় দলে আসার আগেই বনে যান তারকা। লোয়ার মিডলঅর্ডারে ব্যাটিং, সঙ্গে মিডিয়াম পেস। আরিফুলের রোল মডেল অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার শেন ওয়াটসন। হতে চান বাংলাদেশের সেরা অলরাউন্ডারদের একজন। পাড়ি দিতে চান অনেক পথ।

‘ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন জাতীয় দলে খেলার। এটা অল্পতেই ভেঙে গেলে কষ্ট পাব। আমি চাই জাতীয় দলের জার্সিতে অনেকদিন খেলতে। আমার রোল মডেল ওয়াটসন। আমি বাংলাদেশের টপ অলরাউন্ডার হতে চাই। এটাই আমার একমাত্র স্বপ্ন।’
মূর্তিকারিগর

রংপুরের ছেলে আরিফুল স্বপ্নকে বাস্তব করার মনছবি আঁকছেন। আছেন কক্ষপথেই। শ্রীলঙ্কায় নিধাস ট্রফির দলেও থাকার সম্ভাবনা প্রবল।
এই কদিনে বুঝে গেছেন ঘরোয়া ক্রিকেট আর জাতীয় দলের পার্থক্য, ‘ড্রেসিংরুমে তফাত অনেক। বিপিএলে একরকম আর জাতীয় দলের ড্রেসিংরুম একরকম। এখানে পুরো বাংলাদেশের মানুষ তাকিয়ে থাকে। দেশের জন্য খেলা, অনেক বড় সম্মানের জায়গা। ড্রেসিংরুমে বড়-বড় খেলোয়াড়ের সঙ্গে থাকা। তাদের পরামর্শ নেওয়া। একজন নতুন খেলোয়াড়ের জন্য এগুলো নতুন কিছু। উপভোগ করছি। মানুষ এখন চিনছে। ভালো লাগে। আমি চাই, অনেক ভালো কিছু করতে।’