চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘আমার কাছে মিরপুরের উইকেটই ভালো’

কিছুদিন আগেই অভিষেকের একযুগ পার করেছে শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম। সাকিব আল হাসানের ক্রিকেট ক্যারিয়ারও এক যুগের। দলীয় সাফল্য আর ব্যক্তিগত অর্জনের নানা সুখস্মৃতি আছে এই ভেন্যুতে। এখানকার উইকেটের চরিত্র অননুমেয় হলেও সেটি বলতে দ্বিধা সাকিবের।

বিজ্ঞাপন

তিন সংস্করণ মিলে মিরপুরে ১১৩ ম্যাচ খেলেছেন সাকিব। হোম অব ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি রানের (৪,১১৭) পাশাপাশি উইকেট প্রাপ্তিতেও অন্যদের চেয়ে যোজনযোজন এগিয়ে (১৯৬ উইকেট) বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডার। বৃহস্পতিবার উইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টিতে ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে ৫ উইকেট শিকার করে হয়েছেন ম্যাচসেরা।

যে মাঠ দু’হাত ভরে দিচ্ছে তার সমালোচনা কীভাবে করবেন সাকিব! সেই অসহায়ত্বের জায়গা থেকে মিরপুরের উইকেট নিয়ে একরকম প্রশংসাই করে গেলেন শুধু।

বিজ্ঞাপন

‘আমি মিরপুরের উইকেট খারাপ বলতে পারব না। কারণ আমার ক্যারিয়ারের অর্ধেকই এখানে। বোলিং-ব্যাটিং সবই(অর্জন) এখানে। আমি খারাপ কীভাবে বলি। আমার কাছে মিরপুরের উইকেটই ভালো!’

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ম্যাচ মিরপুরে গড়ালেই দেখা যায় রানখরা। লো-স্কোরিং ম্যাচ হওয়ায় গ্যালারিতে থাকে না দর্শকের উপস্থিতি। উইকেট নিয়ে অনুযোগ জানান ক্রিকেটাররা। তবুও বদলানো হয় না উইকেটের চরিত্র।

ভিন্ন চিত্র দেখা গেল আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে। বাংলাদেশ-উইন্ডিজ ম্যাচটি হয়ে গেল হাইস্কোরিং। টাইগারদের সংগ্রহ দুইশ পেরোল, ২১২ রান তাড়া করতে নেমে সফরকারীরা ১৯.২ ওভারে গুটিয়ে যাওয়ার আগে তোলে ১৭৫।

৪ বল আগেই শেষ হওয়া ম্যাচে দু’দল মিলে করে ৩৮৬ রান। মিরপুরে উইকেটে এত রান বিশেষ ঘটনাই! হঠাৎ রূপ বদলানো উইকেট দেখে সাকিবও একটু অবাক। ব্যাটসম্যানরা বেশি ভালো করাতেই এত রান হয়েছে বলে মনে করছেন টাইগার অধিনায়ক।

‘আমি বলব, ব্যাটসম্যানদের কৃতিত্ব। খুব ভালো ব্যাট করলে ১৮০ হবে এরকম আমাদের ধারণা ছিল। আমার ব্যক্তিগত ধারণা ছিল। সেখানে ২১১ হয়েছে। আমার কাছে এটা প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে যে, আমাদের ২০/৩০ রান বেশি আছে যেটা নিয়ে খেলতে পারব। বাজে হলেও ফিরে আসার সুযোগ থাকে। মিরপুরের উইকেট আমি মনে করি সময় পেলে বেশ ভালোই প্রস্তুত করার সুযোগ আসে।’