চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আফসোস মেটানোর সুযোগে ভয় কমলা ঝড়

দু’বছর আগে পর্তুগাল যখন ইউরো কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, তখন পুরো ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি। চোট পেয়ে ম্যাচ জেতার আগেই মাঠ ছাড়তে হয়েছিল ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে।

বিজ্ঞাপন

তিনি যে ফর্মের তুঙ্গে আছেন তা দু’দিন আগে সেমিফাইনালেই বুঝিয়ে দিয়েছেন। সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করে। রোববার রাতে পোর্তোর এস্তাদিও দে ড্রাগাওয়ে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ইউরোপীয় নেশন্স লিগ ফাইনালে জিতেই মাঠ ছাড়তে চান পর্তুগালের মহাতারকা।

তবে সেমিফাইনালের মতো ফাইনাল যে সহজ হবে না, তা বুঝে গেছেন জুভেন্টাস তারকা। কারণ নেদারল্যান্ডেসর ডিফেন্সে রয়েছেন ফন জিক। যাকে এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা স্টপার হিসেবে ধরা হচ্ছে। লড়াইটা তাই রোনালদো বনাম লিভারপুলের জিকেরও।

বিজ্ঞাপন

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠা নেদারল্যান্ডসের কাছেও এই ফাইনাল ৩১ বছর আগের ঐতিহ্য ফেরানোর। ১৯৮৮ সালে ইউরো কাপ জেতার পর ডাচদের ঘরে আর কোনো বড় ট্রফি নেই। সেই কাপ জয়ের অন্যতম নায়ক রোনাল্ড কোম্যান আবার জিকদের এই দলের কোচ।

সেই কোম্যানের মন্তব্য, ‘ম্যাচটাকে রোনালদো বনাম জিক আখ্যা দেয়ার কোনো মানে নেই। লড়াইটা নেদারল্যান্ডস বনাম পর্তুগালের। যাতে আমরা জিততে মরিয়া।’

এই ম্যাচে পর্তুগাল কোচ ফার্নান্দো সান্তোস একটু চাপে। কারণ তার সেরা ডিফেন্ডার পেপে নেই। সুইজারল্যান্ড ম্যাচে কাঁধে আঘাত পেয়েছেন। ডাচদের আক্রমণভাগ আবার খুব জোরালো। তারা তিন ফরোয়ার্ডে খেলে। মেম্ফিস ডিপে, রায়ান বাবেল ও স্টিভেন বেরগুইনদের সঙ্গে মাঝমাঠ থেকে আক্রমণে উঠে আসেন বার্সেলোনার ফেঙ্কি ডি জং। এই কমলা ঝড় সামলাতে অনেক অঙ্ক কষতে হচ্ছে রোনালদোর কোচকে।

রোনালদোর কাছে দেশের জার্সিতে এটা তৃতীয়বার ইউরোপ সেরার টুর্নামেন্ট। ২০০৪ সালে পর্তুগাল চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি। ২০১৬ সালে পর্তুগাল চ্যাম্পিয়ন হয়। কিন্তু রোনালদো শেষ পর্যন্ত মাঠে ছিলেন না। এবার সব আফসোস মেটানোর সুযোগ তার সামনে। তবে সেই সুযোগের ভয় শুধু কমলা ঝড়।