চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আজ খালেদা জিয়ার নির্বাচন করতে পারা না পারার রায়

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া প্রার্থী হতে পারবেন কিনা তা আজ জানা যাবে। তিনটি আসনে তার মনোনয়নপত্র বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের ওপর শুনানি শেষে আদেশের জন্য মঙ্গলবার নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চে গত সোমবার শুনানি হয়। খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও নওশাদ জমির। উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ফারুক হোসেন ও একেএম এহসানুর রহমান প্রমুখ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ।

বিজ্ঞাপন

এর আগে গত ৮ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানির পর সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার তিনটি আসনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত দেন।

শুনানিতে প্রার্থিতা বহালের পক্ষে মত দেন মাহবুব তালুকদার। এর বিপক্ষে মত দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও তিন কমিশনার।

বিজ্ঞাপন

পরে প্রার্থিতা বাতিল করা রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্ত ও নির্বাচন কমিশনের আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে খালেদা জিয়ার পক্ষে গত ৯ ডিসেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় তিনটি রিট দায়ের করা হয়।

খালেদা জিয়া বগুড়া-৬ ও ৭ এবং ফেনী-১ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন। কিন্তু দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা তার মনোনয়নগুলো বাতিল করে দেন।

দলের সর্বোচ্চ নেতা খালেদা জিয়া, তারেক রহমান সহ জিয়া পরিবারের সদস্যদের ছাড়াই নির্বাচনে যাচ্ছে বিএনপি। নেতৃত্ব দিচ্ছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপি বলছে, এই নির্বাচনে তারা আন্দোলনের অংশ হিসেবে নিয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারকে পরাজিত করতে চায় বিএনপি।

ইতোমধ্যে তারা ৩০০ আসনে প্রার্থী নিশ্চিত করেছে।