আকবর-ইমনদের ঠিকানাও বিকেএসপি

বিশ্বজয়ী যুবাদের অনুশীলনের সুযোগ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)। করোনাকালে সেখানকার অবকাঠামো ব্যবহার করার সুযোগ পাচ্ছেন প্রতিষ্ঠানটির সাবেক আট খেলোয়াড়।

বিকেএসপির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো: রাশীদুল হাসান চ্যানেল আই অনলাইনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে টিম টাইগার্সকে নেতৃত্ব দেয়া আকবর আলী, পারভেজ হোসেন ইমন, হাসান মুরাদ ও মাহমুদুল হাসান জয় সাভার বিকেএসপিতে উঠেছেন। আজই তাদের ফিটনেস ট্রেনিং শুরু করার কথা।

বাকি চার ক্রিকেটার রোববার ফিরবেন প্রিয় প্রাঙ্গনে। যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলকে প্রতিনিধিত্ব করা খেলোয়াড়দের আটজনই ছিলেন বিকেএসপির শিক্ষার্থী। ব্যক্তিগতভাবে করোনা টেস্ট করিয়ে নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়েই তাদের প্রবেশ করতে হয়েছে পুরনো ডেরায়।

বছরের শুরুর দিকে সাউথ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত যুব বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে ফেরা আকবরদের নিয়ে ক্যাম্প করার পরিকল্পনার কথা বিসিবির। কিন্তু করোনার প্রকোপের কারণে সেটি সম্ভব হয়নি।

নতুন করে শুরুর প্রয়োজনও এখন পড়ছে না। কেননা চ্যাম্পিয়ন যুবাদের বেশিরভাগ সদস্যকে অন্তর্ভূক্ত করে গঠন করা হচ্ছে বিসিবির হাই পারফরম্যান্স ইউনিট (এইচপি)। যারা সেপ্টেম্বরে শ্রীলঙ্কা সফরে গিয়ে দুটি চার দিনের ও তিনটি ওয়ানডে খেলবে।

নির্বাচকরা দল ঘোষণা না করলেও বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগ সূত্রে জানা গেছে বেশিরভাগ ক্রিকেটারেরই থাকার সম্ভাবনা এইচপি কার্যক্রমে।

জাতীয় দলের পুলে থাকা ক্রিকেটাররা বিসিবির ব্যবস্থাপনায় বিভাগীয় ভেন্যুতে অনুশীলন শুরু করলেও আকবরদের সে সুযোগ হয়নি। বেশিরভাগ খেলোয়াড়ের বাড়ি শহর থেকে বেশ দূরে হওয়ায় জেলা স্টেডিয়ামে অনুশীলন করেছেন অনেকে।

সামনে এইচপি দলের শ্রীলঙ্কা সফর থাকায় যুবাদের আরেকটু কঠোর অনুশীলনের ব্যবস্থা করে দিয়েছে বিসিবি। বোর্ডের অনুরোধেই আট ক্রিকেটারকে প্রস্তুতির সুযোগ করে দিয়েছে বিকেএসপি। ২০২২ যুব বিশ্বকাপ সামনে রেখে নতুন করে অনূর্ধ্ব-১৯ দল গঠনের জন্য ৪৫ ক্রিকেটারকে নিয়ে বিসিবির ব্যবস্থাপনায় ক্যাম্পও পরিচালিত হচ্ছে সেখানে।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়, কিন্তু ট্র্যাকব্যাক এবং পিংব্যাক খোলা.