চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘অনাচারের বিরুদ্ধে জাগ্রত হোক শুভবোধ’

জগতের সকল অন্ধকার দূর করে আলো ছড়িয়ে দেয়ার বার্তা নিয়ে নতুন বছর ১৪২৬ কে বরণ করল সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট। ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবে যোগ দিতে রমনা বটমূলে সুর্যোদয়ের আগ থেকে হাজারো মানুষের ঢল নামে।

বিজ্ঞাপন

নতুন বছরকে বরণ করার সঙ্গে সঙ্গে অন্যায় ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

নতুন সূর্য, নতুন স্বপ্ন, নতুন আশা আর সম্ভাবনা নিয়ে শুরু হলো বাংলার নতুন বছর। নতুন এই বছরে থাকবে না কোনো হিংস্রতা, অন্যায় আর অনাচার। বিরাজ করবে কেবল ভ্রাতৃত্ববোধ আর মানবতার আবাহন।

বিজ্ঞাপন

১৪২৬ বঙ্গাব্দের প্রথম সকালে ‘অনাচারের বিরুদ্ধে জাগ্রত হোক শুভবোধ’ – ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানটের এই আহ্বানে রমনা বটমূলে নামে হাজারো মানুষের ঢল। রাগ সুরের মায়াজালে ধ্রুপদী সুরের মূর্ছনায় নতুন বছরকে স্বাগত জানান তারা।বৈশাখ-নতুন বছর-বাংলা নববর্ষ

মানুষের কাছে শান্তি বার্তা পৌঁছে দিতে আয়োজনে রাখা হয় রবীন্দ্র, নজরুল, লালন সাঁই আর পঞ্চকবির গান।

রমনা বটমূলের ছায়াতলে সুরেলা বৈশাখ যেন সবকিছু ছাপিয়ে ওঠে সৌহার্দ্য আর সম্প্রীতির মেলবন্ধনে।

শান্তি, মানবতা আর মানুষের অধিকার রক্ষায় প্রিয় মাতৃভূমি এগিয়ে যাবে, এমন প্রত্যাশার কথা শোনালেন আয়োজকরা।
ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সভাপতি সনজীদা খাতুন বলেন: ‘অন্তরে ইচ্ছা জাগুক, “ওরা অপরাধ করে” কেবল এই কথা না বলে, প্রত্যেকে নিজেকে বিশুদ্ধ করবার চেষ্টা করি। আর আমরা যেন নীতিবিহীন অন্যায়-অত্যাচারের নীরব দর্শকমাত্র হয়ে না থাকি। প্রতিবাদে, প্রতিকার সন্ধানে হতে পারি অবিচল। নববর্ষ এমন বার্তাই সঞ্চার করুক আমাদের অন্তরে।’বৈশাখ-নতুন বছর-বাংলা নববর্ষ

বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে নুসরাত, তনু ও সাগর-রুনিসহ অন্যায় আর নিপীড়নের শিকার সবার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালনের পর জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়।